শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক হয় রুক্ষ, ঠোঁট ফেটে যায়। ঠোঁটের ত্বক পাতলা ও সংবেদনশীল। ঠাণ্ডা ও শুষ্ক হাওয়া বা পানির সংস্পর্শে ঠোঁটের ওপর থেকে পাতলা চামড়া ওঠে, কখনো রক্তও বের হয়। এ ঠোঁট ফাটা বেশ অস্বস্তিকর ও কষ্টদায়ক। শীতে ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধে কী করবেন, জেনে নিন।
- ঠোঁটের শুষ্কতা রোধে পেট্রোলিয়াম জেলি ও অলিভয়েল, লিপজেল লাগাতে পারেন। প্রতি দুই ঘন্টা পর পর এগুলোর যে কোনো একটি ব্যবহার করতে পারেন। বাইরে বের হওয়ার আগে ছোট্ট ভ্যাসলিনের কৌটা সঙ্গে রাখতে পারেন।
- ঠোঁট ফাটা রোধে জলপাই তেল ও লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এছাড়া লেবু, লবণ, মধু ও জলপাই তেল একসঙ্গে মিশিয়েও স্ক্রাবার তৈরি করা যায়। সপ্তাহে দুই দিন এটি ব্যবহারে ঠোঁটের মরা চামড়া খুব সহজে উঠে যাবে।
- ঠোঁট ফাটার অন্যতম কারণ ডিহাইড্রেশন। শীতে শরীরে পানিশূন্যতা যেন না হয়। যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করবেন। অন্তত তিন লিটার পানি পান করুন।
- শুষ্ক ঠোঁট কখনো জিব দিয়ে ভেজাবেন না। মুখের লালায় যে জৈব-রাসায়নিক উপাদান থাকে, তা ঠোঁটকে আরও শুকিয়ে দেয়। আর এটি খুবই অশোভন ব্যাপার, দৃষ্টিকটু।
- এক টেবিল চামচ গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে এক টেবিল চামচ গ্লিসারিন দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিয়ে নিয়মিত ঠোঁটে মাখলে কালচে ভাব দূর হবে এবং ঠোঁটকে মসৃণও দেখাবে।
- শীতকালে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ঠোঁট আরও বেশি শুকিয়ে যায়। এসময় লিপগ্লস বা ময়েশ্চারাইজারযুক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন, যাতে আর্দ্রতা বজায় থাকে।
