কাঠালিয়া উপজেলার দত্তের পশুরীবুনিয়া ও তারাবুনিয়ার মধ্যবর্তী বড় খালে ব্রিজের অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছেন শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের পশুরীবুনিয়া ও তারাবুনিয়ার মধ্যদিয়ে বয়ে গেছে মানিক জমাদ্দার বাড়ির পিছনের বড় খাল। খালের দুই পাড়েই রয়েছে পশ্চিম দত্তের পশুরীবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দত্তের পশুরীবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসা, তারাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটু দূরেই রয়েছে আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজ, ভগিরতপুর বঙ্গবন্ধু কলেজ। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, আমুয়া বন্দরের ব্যবসায়ী, ভাণ্ডারিয়া ও মঠবাড়ীয়ার ভগিরতপুরসহ বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খালের উপর নির্মিত এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছেন। ফলে প্রায়ই শিক্ষার্থী ও পথচারীরা সাঁকো থেকে পরে আহত হচ্ছেন।
দত্তের পশুরীবুনিয়া গ্রামের মো. মানিক জমাদ্দার জানান, দীর্ঘ বছর ধরে সাঁকোটি ভাঙা ছিল। তাই তিনি গত ৬ বছর পূর্বে এলাকা থেকে চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকোটি নির্মাণ করেন। সেই থেকে প্রতিবছর তিনি নিজের টাকা দিয়ে সাঁকোটি মেরামত করে পারাপারের ব্যবস্থা করছেন।
এলাকাবাসী চায় বাঁশের সাঁকোর স্থলে একটি মজবুত ব্রিজ নির্মাণ হলে তারা উপকৃত হবে। এজন্য স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় পাটিখালঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান শিশির চন্দ্র দাস জানান, বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে এখানে একটি আয়রন ব্রিজ দরকার। সংিশ্লষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্রিজের জন্য বলবো যাতে করে এখানে দ্রুত একটি ব্রিজের ব্যবস্থা হয়।
