কাগজে-কলমে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অন্যতম শক্তিশালী দল সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশাল। টপ ফেবারিট বললেও ভুল হবে না।
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের দলটা মাঝারি মানের। তারুণ্যে ঠাঁসা দলটা নিয়ে কারোই উচ্চাশা হয়তো নেই। তবে প্রতিপক্ষকে চমকে দেওয়ার সামর্থ্য আছে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন চট্টলার দলটার।
ফরচুন বরিশাল-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ম্যাচ দিয়েই আজ শুরু হচ্ছে বিপিএলের অষ্টম আসর। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দুপুর দেড়টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
কাগুজে হিসেবে বরিশালের সঙ্গে নিজেদের শক্তির ব্যবধান ঘুচিয়ে লড়াই জমানোই চট্টগ্রামের টার্গেট। ট্রফিতে চোখ রেখে আসর শুরু করা বরিশালের সামনে রয়েছে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ। বিশাল সমর্থকগোষ্ঠীর প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। বড় দলের ছাপটা রাখতে হবে মাঠের পারফরম্যান্সে। সাকিব অবশ্য তেমন চাপ অনুভব করছেন না। বরং বরিশালবাসীর আশাকে নিজেদের জন্য প্রেরণার উত্সই ভাবছেন তিনি। গতকাল অনুশীলনের আগে সংবাদ সম্মেলনে বরিশালের অধিনায়ক বলেছেন, ‘ওরকম কোনো চাপ আমার কখনোই মনে হয়নি। এখনো মনে হচ্ছে না। এটা আসলে আমাদের জন্য একটা প্রেরণাদায়ী ব্যাপার। আমরা এটাকে ইতিবাচকভাবে নেওয়ার চেষ্টা করছি এবং এটা থেকে যেন ভালো কিছু করতে পারি সেটার চিন্তা করছি।’ ক্রিকেট খুদে সংস্করণের খেলা। রানের জোয়ার সবার কাছেই প্রার্থিত। সাকিবও আশা করছেন স্পোর্টিং উইকেটে ভালো একটা ম্যাচ দিয়েই বিপিএল শুরু হবে।
বিদেশি কোটার ক্রিস গেইল, মুজিব উর রহমানকে এখনো দলে পায়নি বরিশাল। ডোয়াইন ব্র্যাভো, জ্যাক লিনটট ও আলজারি জোসেফই আজ খেলবেন সাকিবের দলে। তাই সোহান, শান্ত, ফজলে রাব্বিদের মতো দেশীয় ক্রিকেটাররা হবেন বরিশালের বড় নির্ভরতা।
সেই তুলনায় চট্টগ্রামের বিদেশি কোটা পরিপূর্ণ। পাঁচ বিদেশিই দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। নাসুম, শরীফুল, আফিফ, সাব্বির, শামীমরাই অবশ্য দলটির মূল চালিকাশক্তি। তাদের সঙ্গে কেনার লুইস, চ্যাডউইক ওয়ালটনরা জ্বলে উঠলে চমক দেখাতেই পারে চট্টগ্রাম। অধিনায়ক মিরাজও পাখির চোখ করছেন, নির্দিষ্ট দিনে ভালো ক্রিকেট খেলার চিরায়ত তত্ত্বে। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘টি-২০ তে ছোট দল বড় বলে কিছু নেই। বরিশালের দলটা শক্তিশালী অবশ্যই, সাকিব ভাই আছেন। আমার মনে হয় নির্দিষ্ট দিনে যারা ভালো খেলবে তারাই জিতবে।’
