বান্দরবান সদর হাসপাতালে ছয় মাসেও আরটি-পিসিআর ল্যাব চালু হয়নি। গত বছরের ১৫ জুলাই করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু ছয় মাস পার হলেও জনবল সংকট ও উপযুক্ত জায়গা না থাকার কারণে ল্যাব চালু করা যাচ্ছে না।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের রোগ নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের চিকিৎসা কর্মকর্তা থোয়াই অং চিং মারমা জানান, আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপনের জন্য জায়গার অভাব রয়েছে। এছাড়াও ল্যাব পরিচালনার জন্য তিন জন বিশেষজ্ঞ, ছয় জন ল্যাব টেকনিশিয়ানসহ মোট ২৪ জন প্রশিক্ষিত লোক প্রয়োজন। কিন্তু বান্দরবানে এ পর্যায়ের কোনো লোক নেই। এখন পিসিআর পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয় চট্টগ্রামে। বান্দরবান জেলা হাসপাতালে শুধু অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হয়। এদিকে জেলায় করোনা সংক্রমণের হার অনেক বেড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২অ জানুয়ারি) ৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন অংসুইপ্র‚ মারমা জানান, বান্দরবানে ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। জেলায় ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী স্কুল কলেজ পড়ুয়া ৩৮ হাজার শিক্ষার্থী করোনা টিকা দেওয়ার যোগ্য। ইতিমধ্যে ৩৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হয়। শনিবার তালিকাভুক্ত অবশিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রথম ডোজ দেওয়া হলে শতভাগ টিকাদান সম্পন্ন হবে।
