গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও ঠাণ্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত মোংলাসহ উপকূলের মানুষ

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৫৪

হঠাৎ হঠাৎ করে মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা ও বাতাসে শীত জেঁকে বসায় জুবুথুবু হয়ে পড়েছে মোংলা বন্দরসহ সংলগ্ন উপকূলের বাসিন্দারা। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি আকাশে। মেঘে ঢাকা আকাশের পাশাপাশি চারিদিকে রয়েছে ঘন কুয়াশা। সেই সঙ্গে ভোর থেকেই হচ্ছে থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। গত রাতভরই এ এলাকায় বৃষ্টি ঝরেছে। তাই শীতও বেড়েছে। 

পৌর শহরের মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা মো. আতাউর রহমান বলেন, রবিবার দিবাগত গত রাতে বৃষ্টি হয়েছে, সোমবার ভোর থেকেও থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি হচ্ছে। সূর্য নেই, বৃষ্টি, কুয়াশায় খুবই শীত বেশি। তাই আমাদের স্বাভাবিক কাজ কর্ম ব্যাহত হচ্ছে। 

স্বেচ্ছাবেসী সংগঠন  'প্রাণের বার্তা' সাধারন সম্পাদক মো. কবির হাসান বলেন, এখন মাঘ মাসেও বৃষ্টি হচ্ছে। এতে শীত অনেক বেড়েছে, ফলে দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কষ্ট বেড়েছে। তাদের কাজ নেই বললে চলে, রাস্তাঘাটে লোকজনও কম। 

কয়েকদিনের এমন আবহাওয়া চরম বিপাকে পড়েছে নৌপথে চলাচলকারী মানুষেরা। কুয়াশায় রাতে নদীতে কিছু দেখা না গেলেও দিনের বেলায়ও প্রায় একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। নদী ও সড়ক পথে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

নৌযান চালক (কার্গো সুকানী) সোহরাব হোসেন বলেন, কুয়াশায় রাতে নদীতে কিছুই দেখা যায় না। তাছাড়া দিনের বেলায়ও প্রায় একই অবস্থা, তাই আমরা পশুর নদীতে নোঙ্গর করে বসে আছি। দুর্ঘটনার ঝুঁকির আশংকা থাকায় জাহাজ চালানো যাচ্ছে না। 

মেঘলা আকাশ, ঘন কুয়াশা ও বৃষ্টিতে শীতের প্রকোপ বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ দিনমজুরেরা। এদিকে গত কয়েকদিনের শীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠাণ্ডাজনিত রোগীদের সংখ্যাও বাড়ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, দুই তিনদিন ধরে শীতজনিত রোগীদের সংখ্যা বেড়েছে। এ সকল রোগীদের মধ্যে শিশু ও বয়স্করাই বেশি। 

 

ইত্তেফাক/ ইআ