চেলসির খেলোয়াড় বদলে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৩২

চেলসি এই মৌসুমের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অধারাবাহিকতার কারণে আগে থেকেই চাপে ছিল। এবার তাদের উপর নেমে এলো খেলোয়াড় বদলে নিষেধাজ্ঞা। যুব পর্যায়ের খেলোয়াড় দলে ভেড়ানোয় নিয়ম লঙ্ঘনের কারণেই আগামী দুই দলবদল মৌসুমে খেলোয়াড় দলে টানতে পারবে না লন্ডনের ক্লাবটি। তবে এই নিষেধাজ্ঞা দল থেকে খেলোয়াড় অন্য ক্লাবে পাঠানো, নারী ও ফুটসাল দলের খেলোয়াড় কেনাবেচায় কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে আপিল করবে বলে জানিয়েছে চেলসি কর্তৃপক্ষ। 

দলটির অনূর্ধ্ব-১৮ খেলোয়াড়দের দলে ভেড়ানোর ব্যাপারটি বেশ আগে থেকেই ফিফার নজরে ছিলো। সমপ্রতি ফিফা জানিয়েছে দলটির ৯২টি দলবদলের ভেতর ২৯টিতে নিয়ম লঙ্ঘনের আলামত পেয়েছে তারা। ফলে চেলসিকে দু’টি দলবদলের মৌসুমে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি প্রায় সাড়ে চার লাখ পাউন্ড জরিমানাও করেছে ফিফা। জরিমানার মুখোমুখি হয়েছে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও। তাদের জরিমানার পরিমাণ প্রায় চার লাখ পাউন্ড।

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটির পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে- ‘এই খেলোয়াড়দের ৬৩ জনের ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন পায়নি ফিফা, আমরা ব্যাপারটিকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু বাকি ২৯ জন খেলোয়াড়ের ব্যাপারে ক্লাবের উপস্থাপনকে গ্রহণ করেনি ফিফা, এক্ষেত্রে আমরা হতাশ। চেলসি নিয়ম মেনেই কাজ করেছে এবং অচিরেই ফিফার কাছে সিদ্ধান্তটির বিপক্ষে আপিল করতে যাচ্ছে ক্লাব।’

ফিফার পক্ষ থেকে এফএকে বলা হয়েছে আন্তর্জাতিক দলবদল ও যুব পর্যায়ের খেলোয়াড় কেনাবেচার ব্যাপারটি নজরে রাখা সংস্থাটির গুরুদায়িত্ব। যা পালন না করার কারণে তাদেরও জরিমানার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ইংলিশ ফুটবলের কর্তাসংস্থাটির একজন মুখপাত্র বিবিসিকে জানান- তারা তদন্তের কাজে পুরোপুরি সহায়তাই করেছেন এবং ফিফার শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কিছুটা চিন্তিতও। তার ভাষায়: ‘এফএ এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে আপিল করার পরিকল্পনা করছে। তবে এই ঘটনার ফলে উদ্ভূত সমস্যা চিহ্নিতকরণে আমরা ফিফা ও চেলসির সঙ্গে গঠনমূলক পন্থায় কাজ করে যাবো।’

উল্লেখ্য, এর আগে বার্সেলোনা ২০১৪ সালে এই নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হলেও আবেদন করার মাধ্যমে একটি দলবদলের মৌসুম পেছাতে সক্ষম হয়েছিলো। ২০১৬ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদও একই কারণে দলবদলে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছিলো।