রোববার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

নেতা হওয়ার জন্য অধিনায়ক হতে হয় না: কোহলি

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৮:১৩

গেল বছর স্বেচ্ছায় টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন বিরাট কোহলি। এরপর ঐ বছরই কোহলিকে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ বছর টেস্ট অধিনায়ক থেকে নিজেই সরে দাঁড়ান তিনি। তিন ফরম্যাটের কোনোটিতেই অধিনায়ক না থাকলেও এখনও নিজেকে দলের নেতা ভাবেন তিনি। তার মতে, নেতা হবার জন্য অধিনায়ক হতে হয় না। ব্যাটার হিসেবেও দলের নেতা হওয়া যায়।

সম্প্রতি ফায়ারসাইড চ্যাট অনুষ্ঠানে আলাপচারিতায় কোহলি বলেন, ‘সব কিছুর একটা মেয়াদ এবং সময় থাকে। সেই ব্যাপারে অবগত থাকতে হবে। এটা খুব ভালো করে বুঝে নিতে হবে যে, আমি কি অর্জন করতে চাইছি। সেই টার্গেট পূরণ করতে পেরেছি কি-না। একজন ব্যাটার হিসাবে আমি দলে আরও বেশি কিছু দিতে পারি। সেটা নিয়ে গর্ব করা যায়। নেতা হওয়ার জন্য অধিনায়ক হতে হয় না।’

মহেন্দ্র সিং ধোনির কাছ থেকেই প্রথমে টেস্ট ও পরে ওয়ানডের অধিনায়কত্ব পান কোহলি। তার সম্পর্কে বলতে গিয়ে কোহলি বলেন, ‘যখন ধোনি সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে দলে ছিল, তখন এমন নয় যে সে নেতা ছিল না। তার কাছ থেকে প্রত্যেকটা মুহূর্তে আমরা বিভিন্ন পরামর্শ নিয়েছিলাম। কিন্তু প্রতিদিন নিজেদের উন্নতি করা, ক্রমাগত উৎকর্ষের দিকে এগিয়ে যাওয়া, এটা স্বল্প মেয়াদে হয় না।’

সদ্যই দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে ভারত। সিরিজ হারে সমালোচনার মুখে টিম ইন্ডিয়া। তবে শিগগিরই ভারত ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করেন কোহলি। কিন্তু এখনও সাদা বলের ফরম্যাটে কোহলির উত্তরসূরি ঘোষণা করেনি বোর্ড।

কোহলি বলেন, ‘এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেতৃত্বের অংশ, এটি করার জন্য সঠিক সময় বোঝা দরকার। এটি বোঝার জন্য, পরিবেশের একটি ভিন্ন দিক নির্দেশের প্রয়োজন হতে পারে। একই সংস্কৃতি, তবে মানুষকে ভিন্নভাবে উৎসাহিত করার জন্য ভিন্ন ধারণার প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজনকে সব ধরনের ভূমিকা এবং দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। আমি একজন খেলোয়াড় হিসেবে ধোনির অধীনে খেলেছি এবং আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের অধিনায়ক ছিলাম, আমার মানসিকতা একই ছিল।’

শুধু একজন ক্রিকেটার হিসেবে খেলার সময়ও নিজেকে অধিনায়ক মনে করতেন কোহলি। তিনি বলেন, ‘আমি যখন শুধুমাত্র খেলোয়াড় ছিলাম তখনও একজন অধিনায়কের মতো ভাবতাম নিজেকে। আমি দলকে জিতাতে চাই। আমাকে নিজের নেতা হতে হবে।’

কোহলির নেতৃত্বে ভারত ৬৮টি টেস্টে ৪০টি জয়, ৯৫ ওয়ানডেতে ৬৫টি জয় ও ৫০টি টি-টোয়েন্টিতে ৩০টি জয় পেয়েছে।

 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি