জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ

ডেসটিনির আট কর্মকর্তাকে নোটিস পাঠিয়েছে দুদক

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৪, ১৯:২১
 
 
 
 
 
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানি ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের শীর্ষ আট কর্মকর্তাকে নোটিস পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে সাত কার্যদিবসের মধ্যে যাবতীয় সম্পদের হিসাব বিবরণী কমিশনে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০০৪ সালের ৫নং আইনের ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) ক্ষমতাবলে এ আদেশ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে ওই আইনের ২৬ এর উপ-ধারা (২) অনুসারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। দুদক সূত্র আজ বৃহস্পতিবার এ সব তথ্য জানিয়েছে।
এ আটজন হলেন, ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের পরিচালক ও সাবেক ডিএমসিএসএল’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ গোফরানুল হক, ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের সাবেক পরিচালক ও ডেসটিনি বিল্ডার্সের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়বুর রহমান, ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের সাবেক পরিচালক ও ডেসটিনি বিল্ডার্সের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের পরিচালক ইরফান আহমেদ সানী, মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান ও ডেসটিনি মাল্ডিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. আকবর হোসেন সুমন।
দুদক সূত্র জানায়, অবৈধ সম্পদ অর্জনে অভিযুক্তরা সকলেই দুদকের মামলার আসামি। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের স্ত্রী এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্বাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উত্স ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী সাত কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে কমিশনের সচিব বরাবর দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
 

ইঅ/চৌফে/শ২১২