নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডার

নুর হোসেনকে ৩ দিনের জেল-হেফাজতের নির্দেশ

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০১৪, ২০:১২
 
 
 
নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডার মামলার মূল অভিযুক্ত নুর হোসেনকে ৩ দিনের জেল-হেফাজতের নির্দেশ দিল পশ্চিমবঙ্গের বারাসত আদালত। আজ শুক্রবার তাকে দমদম জেল থেকে বারাসত আদালতে আনা হয়। সরকার পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন দের বক্তব্য শোনার পর বিচারক মধুমিতা রায় এই নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার ফের শুনানি ১ সেপ্টেম্বর।  তবে তার সহযোগী খান সুমন জামিন পেলেও জামিনদার না মেলায় মুক্ত হতে পারেননি।
আদালত সুত্রে খবর, গত ১৮ আগস্ট খান সুমনকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেয় আদালত। নির্দেশ ছিল ১০ রুপি এবং ২ জন জামিনদার হাজির করতে হবে আদালতে। খান সুমন এদিনও ২ জামিনদার যোগার করতে না পারে তাকে জেলেই থাকতে হবে।
এ দিন বারাসত আদালতের এক আইনজীবী জানিয়েছেন, এত কম দিনের জেল হেফাজত দেওয়ার অর্থই হলো এবার নুরের পক্ষে জামিনের আবেদন করলে, তা মিলে যেতে পারে। যদি না সরকার পক্ষের আইনজীবী বিরোধিতা করেন। আজ তিনি নুরের বিপক্ষে কিছুই বলেননি। পরে সরকারী আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন দে মামলা প্রসঙ্গে কিছু বলতে চাননি।
গত ১৬ আগস্ট বাগুইহাটি থানা থেকে আদালতে মামলার নথি না আসায় সেদিন নুরের মামলার শুনানি হয়নি। ক্ষুব্ধ বিচারক সেই সময় নূরকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাথার নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন রাতে নূর হোসেন ও তার দুই সঙ্গী খান সুমন এবং ওহিদুর জামান শামীম কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন কৈখালির ইন্দ্রপ্রস্থ আবাসন থেকে গ্রেপ্তার হয়। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা হয়। আদালতে সেই সময় জানানো হয়, বাংলাদেশে সাত খুনের মামলাসহ একাধিক অপরাধে নূর অভিযুক্ত। বাংলাদেশ সরকার তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। এর পর তাদের ৮ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এর পর দু-দফায় ১৪ দিন করে এবং এক দফায় ১২ দিন জেল হেফাজতে পাঠানো হয় নুর এবং তাঁর দুই সঙ্গীকে। ২ আগস্ট ফের এক দফা ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়।
ভারতের জেলে ইতিমধ্যে ৭৭ দিন জেল খাতা হয়ে গেছে নুরের। ভারতীয় আইনে যে কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে মামলার চার্জসিট দিতে হয়। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ৯০ দিনের সীমা শেষ হবে। পুলিস সুত্রে খবর, মামলার চার্জসিট তৈরি হয় নি এখনও। এক আইনজীবী জানিয়েছেন, সময় মত চার্জসিট দেওয়া না হলে জেল হেফাজতে থাকা অভিযুক্ত সর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়ে যেতে পারেন।
 
ইঅ/চৌফে/শ৩৪৩