মাওয়ায় ৩ নম্বর ফেরিঘাটে ফের ভাঙ্গন, রো রো ফেরি বন্ধ

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২০:৪৭
 
মাওয়ায় ৩ নম্বর ফেরিঘাট আরারো ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। এতে তীব্র স্রোতের কারণে রো রো ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে দুপুর দেড়টার দিকে মাওয়া লঞ্চঘাটের ৫০ বর্গফুট এলাকা সাত দোকানসহ আকস্মিক পদ্মায় বিলীন হয় যায়। ফলে ঝুকিপূর্ণভাবে এখন লঞ্চ চলাচল করছে।
 

সূত্র জানায়, মাওয়া ৩ নম্বর নতুন রো রো ঘাট ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় ২৮টি যানবাহনসহ রো রো ফেরি বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ভিড়তে পারেনি। আবার সেটি কাওড়াকান্দি ফেরত পাঠানো হয়েছে। এখন ২টি ঘাট দিয়ে কম ধারণ ক্ষমতার মাত্র ৯ টি ফেরি দিয়ে সীমিত আকারে মাওয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি সার্ভিস চালু রাখা হয়েছে। ৩টি রো রো ফেরিসহ ৭ টি ফেরি বন্ধ রয়েছে ।
অপর দিকে ভাঙ্গনের কারণে হুমকীর মুখে পড়েছে স্পিডবোট ঘাটসহ গোটা মাওয়া ফেরিঘাট। মাওয়া ৩ নম্বর ঘাটে মাত্র ৫ দিন আগে ২৮ আগস্ট রো রো ফেরির পন্টুন স্থানান্তর করা হয়। এর আগে ১৯ আগস্ট ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ৩নং ঘাটটি বিলীন হয়ে যায়।
মাওয়া বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার সিরাজুল হক বলেন, ভাঙ্গনের কবলে ‘নতুন এই রো রো ফেরিঘাটের পন্টুন এবং র্যাম যাতে ভেসে যেতে না পারে, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। দু’পারে সাড়ে ৩শ’ যান আটকা পড়েছে। ক্রমেই অপেক্ষারত যানবাহনের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে।
বর্তমানে মাওয়ায় চলাচল করছে ডাম্প ফেরি (টানা ফেরি) রানীগঞ্জ, রানীক্ষেত, থোবাল, টাপলু, লেন্টিং এবং কে-টাইপ ফেরি করবী, কেতুকী, কাকলী ও মিডিয়াম ফেরি ফরিদপুর।
প্রত্যক্ষদর্শী শহিদ আহম্মেদ জানান, আকষ্মিক ভাঙনে ৫০ ফুট এলাকাসহ ৭টি দোকান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া ২টি খাবার হোটেল ও ১টি মুদি দোকান ভাঙনের মুখে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। প্রায় ৪ লাখ টাকার মালামালসহ হাসেমের মুদি দোনাটি চোখের পলকে নদী গর্ভে চলে গেছে।
গত ১৯ আগস্ট রাত পৌনে ৯টায় আকস্মিক ৩ নম্বর রোরো ফেরি ঘাটটি বিলীন হয়ে যায়। এতে মাওয়া-কাওড়াকান্দি পুরো ফেরি সার্ভিসে অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়। ৪৬ ঘন্টা পরে রো রো ফেরিঘাট ২ নং ঘাটে স্থানান্তর করে সার্ভিস সচল রাখা হয়। কিন্তু ২ নম্বর ঘাটের সাধারণ ফেরির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিলীন হওয়ায় ঘাটের প্রায় ১২০ গজ দূরে স্পিডবোট ঘাটের পাশে নতুন ৩ নম্বর ঘাট সাধারণ ফেরির জন্য স্থাপন করা হয় ২৫ আগস্ট। পরে ২৮ আগস্ট এই ৩ নম্বর ঘাটে রোরো ফেরির পন্টুন স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু ১৯ আগস্ট থেকে টানা ১৪ দিন ধরে মাওয়ায় ফেরি সার্ভিস বিঘ্নিত হচ্ছে ভাঙ্গন ও তীব্র স্রোতের কারণে।