মাওয়ায় পদ্মার ভাঙ্গনে ৩নং ঘাট বিলীন হওয়ায় রো রো ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এখন দুইটি ঘাট দিয়ে কম ধারণ ক্ষমতার মাত্র ৯টি ফেরি দিয়ে মাওয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি সার্ভিস সচল রাখা হয়েছে। তবে তীব্র স্রোতে ফেরিগুলো স্বাভাবিক চলতে পারছে না। তিনটি রো রো ফেরিসহ বন্ধ রয়েছে সাতটি ফেরি। তাই দু’পাড়ে ৫শ’ যান পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। টানা ১৫ দিন ধরে দেশের প্রধান এই ফেরি সার্ভিস বিঘিœত হচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের দুভোর্গ এখন চরম আকার ধারণ করেছে।
ডাম্প ফেরি (টানা ফেরি) রায়পুরা, রানীক্ষেত, থোবাল, টাপলু, লেন্টিং এবং কে-টাইপ ফেরি করবী, কেতুকী, কাকলী ও মিডিয়াম ফেরি ফরিদপুর সকাল থেকে যান পারপার করছে। তবে রাতে চলাচল করেছে শুধু কে-টাইপ তিনটি ফেরি।
এদিকে সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে মাওয়া লঞ্চঘাটের ৫০ বর্গফুট এলাকা সাত দোকান ও ৩ নং রো রো ফেরিঘাটের একটি র্যামসহ একাংশ পদ্মায় তলিয়ে যায়। তাই একটি অংশ দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে লঞ্চ সার্ভিস সচল রাখা হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে স্পিডবোটঘাটসহ গোটা মাওয়া ফেরিঘাট।
মাওয়া ৩ নম্বর ঘাটে মাত্র পাঁচদিন আগে ২৮ আগস্ট রো রো ফেরির পন্টুন স্থানান্তর করা হয়। এর আগে ১৯ আগস্ট ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ৩নং ঘাটটি বিলীন হয়েছিল।
মাওয়া বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার সিরাজুল হক বলেন, ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ঘাটটি অন্যত্র স্থানান্তরের জায়গাও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আলোচনা চলছে মাওয়া পুরানো ঘাট বা পুরনো ৩ নম্বর ঘাটের কাছে স্থানান্তর করা যায় কীনা। পানি কমতে শুরু করেছে। তবে ক্রমাগত ভাঙ্গনের কারণে সমস্যা হচ্ছে।
