কুমিল্লায় পুলিশ-সন্ত্রাসী গুলিবিনিময়, ৬ পুলিশসহ আহত ৮

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৩:৩৯
 
কুমিল্লা মহানগরীতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে ডিবি পুলিশের সাথে সন্ত্রাসীদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই পুলিশসহ আরো চার পুলিশ আহত হন। এছাড়া আটক সন্ত্রাসী ও স্থানীয় একজনসহ গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। গুরুতর আহত ডিবি’র এসআই আদিল মাহমুদ ও কনস্টেবল আসলামকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী গুলি বিনিময়ের পর সন্ত্রাসী আবুবকর সিদ্দিক সরকার ওরফে রোমানকে পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তলসহ আটক করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নগরীর কালিয়াজুড়ি মাজারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে আজ বুধবার পৃথক দুইটি মামলা করেছে।
 
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে নগরীর কালিয়াজুড়ি মাজারসংলগ্ন এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ এ সময় ওই এলাকার সন্ত্রাসী ও জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিদলাই গ্রামের আবুবকর সিদ্দিক সরকার ওরফে রোমানের (৩০) বাড়িটি ঘেরাও করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই বাড়িতে থাকা রোমানসহ সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করতে থাকে। একপর্যায়ে পুলিশও পাল্টা গুলি, টিয়ারসেল ছুড়ে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী গুলিবিনিময়ের পর পুলিশ রাশিয়ার তৈরি ৭.৬২ বোরের একপি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ সন্ত্রাসী রোমানকে আটক করে। অপর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। গুলিবিনিময়কালে ডিবি পুলিশের এসআই আদিল মাহমুদ, কনস্টেবল আসলাম, স্থানীয় এলাকার আনোয়ার হোসেন ও সন্ত্রাসী রোমান গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এছাড়া ডিবি’র এসআই শাহ কামাল আকন্দ, এসআই শহিদুল ইসলাম, এসআই আবু নাসের ও নায়েক নুরুন্নবীসহ চার পুলিশ গুরুতর আহত হন।
 
ডিবি’র এসআই শাহ কামাল আকন্দ জানান, এ ঘটনায় পুলিশ ৩৭ রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও দুই রাউন্ড কাঁদুনে গ্যাস শেল ছুড়ে। ডিবি’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, রোমানের সহযোগী সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশ মঙ্গলবার রাতভর নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আজ বুধবার পৃথক দুইটি মামলা করে।