বিশ্বাসের ভিন্নতা

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:৫১

(বইমেলা ফ্যাক্ট)

 

বইমেলা সংক্রান্ত একই ঘটনা ভিন্ন সময়ে বাবা ও ফ্রেন্ডকে জানালে, তাদের বিশ্বাসে যে কিছু স্বাভাবিক ভিন্নতা থাকবে, সেই ভিন্নতাই দেখানোর চেষ্টা করেছেন মুহসিন ইরম

বারেক তো মেলায় লাইন

মারতে গেছে

 

বাবার বিশ্বাস :বারেক নিয়ম মেনে লাইন ধরে মেলায় প্রবেশ করেছে।

ফ্রেন্ডের বিশ্বাস :বারেক মেলায় ওর গার্লফ্রেন্ডের সাথে ডেটিং ফিক্সড করে ঘুরতে গেছে।

 

রশিদ আহমেদের কাছে অটোগ্রাফ চাইছিলাম, দেয়নি

 

বাবার বিশ্বাস :রশিদ মোটামুটি জনপ্রিয় লেখক হয়ে উঠেছে। একজন অটোগ্রাফ চাইলেও অধিক ভিড়ের চাপে দিতে পারে নাই।

ফ্রেন্ডের বিশ্বাস :আরে ও এমনই। ভাব নেয়। দেখা হইলে একটা সজোরে ঘুষি বসিয়ে দিতে হবে।

বারেক বই ক্রয় বাবদ বাসা থেকে

১০ হাজার টাকা আনিয়েছে

 

বাবার বিশ্বাস :বারেক রীতিমতো বইপোকা হয়ে উঠছে। বই পড়ে সে সমাজ ও দেশকে আলোকিত করবে।

ফ্রেন্ডের বিশ্বাস :বইয়ের কথা বলে এতগুলো টাকা এনে এবার সে ধুমসে উড়াবে। এখানে ওখানে ঘুরতে যাবে, দামি ফাস্টফুডে খেয়ে চেক-ইন দেবে? আমার সব জানা আছে?

 

বারেককে টিভি চ্যানেলে দেখা গেছে

 

বাবার বিশ্বাস :নিশ্চয়ই মেলার সার্বিক দিক নিয়ে ওর কাছে মতামত জানতে চেয়েছে? আমার মতোই জ্ঞানী জ্ঞানী চেহারা পেয়েছে ছেলেটা।

ফ্রেন্ডের বিশ্বাস :নিশ্চয়ই সারাক্ষণ টিভি-ক্যামেরায় উঁকিঝুঁকি মারতে গেছে। যার ফাঁকে চেহারার কিছু অংশ চ্যানেলের পর্দায় দেখা গেছে।