তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটি আবাসিক হলের বেশ কয়েকটি রুম ভাংচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলের টিভি রুমের চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মামুনের সাথে একই বর্ষের রুমনের বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায় তাদের মধ্যে হতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে নিজেদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরবর্তীতে রাত ২ টার দিকে মামুন ও বন্ধুরা হলের ক্যান্টিনে চা খেতে গেলে রুমান ও তার সহপাঠীরা তাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় মামুন, শারাফাত খান, নাঈম ও তার অতিথি শামিমসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। একই সময় তারা ওই হলের ১২৩ নম্বার রুম ভাংচুর করে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের হস্তান্তরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
রুমান ছাত্রলীগের সভাপতি মো: নাজমুল হক এবং মামুন সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস গ্রুপের কর্মী বলে জানা গেছে।
ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় দুই গ্রুপের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে। দেবাশীষ গ্রুপের কর্মীরা কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষ ভাংচুড় করতে গেলে নাজমুল গ্রুপের কর্মীরা বাধা দেয়। ফলে উভয় গ্রুপের কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। উভয় গ্রুপের কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রসহ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় রুমান, সুমন, মাহাবুবসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। এক পর্যায় উভয় পক্ষের কর্মীরা একে অপর পক্ষের কক্ষ ভাংচুর করে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিত্সার জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
