পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালিত হয়েছে রংপুরে। ঘড়ির কাটায় বেলা ১১টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে যে যেখানে ছিল কাজ ফেলে নেমে পড়ে সড়কে। গ্যাসের দাবিতে স্কুল-কলেজ, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস ছেড়ে ১১টা ১০ পর্যন্ত সড়কে অবস্থান করে রংপুরবাসী। এ সময় বন্ধ হয়ে যায় রংপুর বিভাগের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যানবাহনের চাকাও। এক কথায় পুরো ১০ মিনিট স্তব্ধ ছিল রংপুর।
বৃহত্তর রংপুর গ্যাস আন্দোলন কমিটির কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি (এ), জাসদ, বাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদ, ছাত্র-যুব সংগঠন, সুশীল সমাজ, ডাক্তার, আইনজীবী, সাংবাদিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবীসহ শতাধিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়।
রংপুর মেডিক্যাল মোড়, পাকার মাথা, কাচারি বাজার, টাউন হলের সামনে, সিটি বাজার, জাহাজ কোম্পানি মোড়, রংপুর প্রেস ক্লাব চত্ত্বর, গ্রান্ড হোটেল মোড়, শাপলা চত্বর, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে, লালবাগ মোড়, মর্ডান মোড়, দর্শনা মোড়, মাহিগঞ্জ সাতমাথাসহ মহানগরীর অর্ধ শতাধিক স্থানে মানুষজন কাজ-কর্ম ফেলে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্লেকার্ড নিয়ে সড়কে নেমে পড়ে।
একই সময়ে রংপুর বিভাগের ৮ জেলাতেও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে স্তব্ধ কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিকে, কর্মসূচি শুরুর আগে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর রংপুর গ্যাস আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, সাবেক এমপি মোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিক মীর আনিসুল হক পেয়ারা, এ্যাডভোকেট এমএ বাশার টিপু, কাজী মো. জুন্নুন, একেএম ফজলুল হক, ওয়াদুদ আলী, মোয়াজ্জেম হোসেন লাভলু, শ.ম আমজাদ হোসেন, আব্দুল লতিফ খান, একেএম ফাইজুল কবির লিটন প্রমুখ।
ইঅ/চৌফে/শ২৩৮
