জম্মু-কাশ্মীরে বৃষ্টি এবং হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০। আজ উধমপুর জেলায় দুইটি পৃথক দুর্ঘটনায় বাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। রাজৌরি জেলা থেকে উদ্ধার হয়েছে ৪টি লাশ। বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করতে ব্যক্তিগত এক সফরে আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জম্মু পৌছেঁছেন। খবর: জি নিউজ, এনডিটিভি।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মোদি। তিনি বর্তমান বন্যার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন। এরপর আজ তিনি শ্রীনগরে যাবেন।
এদিকে, আজ এক টুইট বার্তায় ওমর আবদুল্লাহ লেখেন, এমন পরিস্থিতিতে জনগণ যাতে ভিত না হন। তিনি মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে বন্যা দুর্গত মানুষদের সরিয়ে নিতে হেলিকপ্টারের কথা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, বৃষ্টি ও বন্যায় ২৫০০টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য অংশ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ৪৫০টি গ্রাম।
বন্যাদুর্গতদের সব রকম সাহায্য করতে প্রস্তুত কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। আজ এ রাজ্যে আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে আজ এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি ফিরে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে মোদিকে জানান। এর পরেই কাশ্মীর যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মোদি।
জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা আজ সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, আবহাওয়ার উন্নতি হলে আগামীকাল বন্যাদুর্গত মানুষদের হেলিকপ্টারে করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে। বন্যাদুর্গত মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য অবন্তিপুর বিমানবন্দরে এক ব্যাটেলিয়ন এনডিআরএফ নামানো হয়েছে। আরও দুই ব্যাটেলিয়ন পাঠানো হয়েছে পুলওয়ামায়। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, জম্মু ও শ্রীনগরে কপ্টার দাঁড়িয়ে রয়েছে। আবহাওয়া ভাল হলেই, আটকে পড়া মানুষজনকে কপ্টারে করে নিরাপদে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে দেয়া হবে। রাজনাথের সঙ্গে আজ জম্মু-কাশ্মীরের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করতে আসেন প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ। এ দিন ওমরের সঙ্গে বৈঠকও করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
