আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এ কে খন্দকারের বইকে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, এ কে খন্দকার একজন সৌভাগ্যবান ব্যক্তি। কারণ তিনি ইতিপূর্বে সকল সরকারের কাছ থেকে সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন। উনি যদি সত্য কথাই বলবেন তবে মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে বই লিখলেন না কেন? এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই তিনি বিতর্কিত এ বই লিখেছেন। মূলত তিনি ষড়যন্ত্রের কুশীলবদের সাথে হাত মিলিয়েছেন। এ ভুলের জন্য জাতির কাছে তার ক্ষমা চাওয়া উচিত।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ খাজা নিজাম উদ্দিন মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু একাডেমি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, গণফোরামের সভাপতি ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের সংবিধান সংশোধন নিয়ে প্রশ্ন তোলার নৈতিক অধিকার নেই। তিনি যে ক্যাটাগরিতে সংবিধান রচনা করেছিলেন, সেটিই আমরা প্রতিস্থাপন করছি। আমরা সব সময় বলেছি বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাব। তার কয়েকটি ধাপ আমরা পার করেছি। বাকিগুলো ধীরে ধীরে আমরা পূরণ করবো।
আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির মিজির সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামছুল হক টুকু, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, সাম্যবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হারুণ চৌধুরী প্রমুখ।
