বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টেস্ট

এখনও শঙ্কায় মুশফিকুর রহিম

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:২৫

নিউজিল্যান্ড সফরের আগে থেকেই বাংলাদেশ দলে ইনজুরি আঘাত শুরু করেছে। ইনজুরির কারণে দলের সঙ্গে যেতেই পারেননি টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং দীর্ঘদিন পর ফর্মে ফেরা তাসকিন আহমেদ। নিউজিল্যান্ডে যাওয়ার পর ইনজুরিতে পড়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। যে কারণে তিনি তৃতীয় ওয়ানডে খেলতে পারেননি। ইনজুরি নিয়েই তৃতীয় ওয়ানডে খেলা মুশফিকুর রহিম এবার নতুন এক ইনজুরিতে ভুগছেন। ফলে তার প্রথম টেস্ট খেলা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে গেছে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে চোট পান মুশফিক। সেই চোটটা ছিল তার পুরোনো একটা ব্যথার নতুন করে ফিরে আসা। পাঁজড়ের ব্যথা নিয়েই খেলেছিলেন তিনি তৃতীয় ওয়ানডে। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল পাঁজড়ের একটা হাড় ভেঙেই গেছে তার।

সেই চোট তবু মানিয়ে নিয়েছিলেন মুশফিক। কিন্তু এখন তিনি আরও দুটো চোটে ভুগছেন—সাইড স্ট্রেইন ও কব্জির ইনজুরি। মূলত এই কব্জির ইনজুরিই এখন ভোগাচ্ছে দেশসেরা এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানকে। আর এই ইনজুরিটার ফলে ম্যানেজমেন্টও ঠিক বুঝতে পারছে না যে, মুশফিককে প্রথম টেস্টে পাওয়া যাবে কি না।

দলের প্রধান কোচ স্টিভ রোডস বলছিলেন, কব্জিটা এখন একদমই আটকে রাখা হয়েছে। তিন দিন এই অবস্থায় রাখার পর ওটা খুলে দেখা হবে, ঠিক কী অবস্থায় আছেন মুশফিক, ‘ওর এখন কব্জির এলাকায়, মানে বৃদ্ধাঙ্গুলির ঠিক ওপরে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের এখন কাজটা হলো, ওই জায়গাটার নড়াচড়া বন্ধ করে রাখা। সে জন্য ওর ওখানে একটা বন্ধনী দিয়ে রাখা হয়েছে, যাতে ওই জায়গাটা নড়াচড়া না করে। এই অবস্থায় আমরা তিন দিন রেখে দেবো। তারপর এটা খুলবো এবং দেখবো যে, ওর নড়াচড়ায় কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না এবং কেমন ব্যথা অনুভব করছে। সেখান থেকেই আমরা সিদ্ধান্ত নেবো যে, কী করা হবে। ফলে এখন আমি এটা একেবারেই বলতে পারছি না যে, সে কী খেলবে, নাকি ছিটকে গেছে। ফলে এখনকার উত্তর হলো, দুঃখিত, আমি জানি না।’

এই সফরে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে বাংলাদেশ তিনটি টেস্ট খেলবে। রোডস মনে করছেন, এতো অল্প সময়ে তিনটি টেস্ট খেলার পথে এরকম ছোটখাটো ইনজুরি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তিনি এ জন্য চান হাতে থাকা ১১ জন পুরো ফিট খেলোয়াড়কে মাঠে নামাতে।

 রোডস বলছিলেন, তিনি বেশ চিন্তিত এই অনেকের ছোটখাটো চোট নিয়ে, ‘আমার মনে হয়, আমাদেরকে ২৪ দিন সময়ের মধ্যে ১৫ দিন ক্রিকেট খেলতে হবে। এটা কঠিন ব্যাপার। আমার মনে হয় না যে, কোনো দল ২৪ দিনের মধ্যে তিন টেস্টের সিরিজ খেলে। এটা স্রেফ একটা দুশ্চিন্তার ব্যাপার নয়। দলে বেশ কয়েক জন খেলোয়াড়ের ছোটখাটো চোট আছে। ফলে সিরিজ এগোনোর সাথে সাথে এটা বড় একটা সমস্যায় পরিণত হতে পারে।’