বলা হয়, পেছাতে পেছাতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ রুখে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পিঠ অনেক আগেই দেয়ালে ঠেকে গেছে। চলতি ২০১৪ সালে এখনও পর্যন্ত টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর বিপক্ষে টানা হারের চক্রেই চলছে মুশফিকুর রহিমের দল। এই হারের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আরও একবার রুখে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে আজ থেকে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট তথা সফরের শেষ ম্যাচ শুরু করবে। সেন্ট লুসিয়ার গ্রস আইলেট থেকে খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও গাজী টেলিভিশন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ, এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ভারতের দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষে সিরিজে হারের পর বাংলাদেশের আশা ছিল ‘প্রিয় প্রতিপক্ষ’ ওয়েস্ট ইন্ডিজে লম্বা সফরে কিছু ইতিবাচক ফল পাওয়া। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির পর প্রথম টেস্টেও বিশাল হারে সে আশা হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এখন প্রেরণার কথা একটাই, এই সেন্ট লুসিয়ায় নিজেদের একমাত্র টেস্টে ২০০৪ সালে ড্র করে দীর্ঘ খরা কাটিয়েছিল বাংলাদেশ।
সেই টেস্টের আরেকটি পুনরাবৃত্তির সন্ধানে নামবে আজ মুশফিকুর রহিমের দল।
চিরায়তভাবে সেন্ট লুসিয়া ব্যাটসম্যানদের পক্ষেই থাকে; বোলারদের মধ্যে সামান্য সহায়তা পেয়ে থাকেন স্পিনাররা। উইকেটের এই তত্ত্বটা সঠিক হলে বাংলাদেশের জন্য সেটা ভালো খবরই হওয়ার কথা। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম গত টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন। এছাড়া অভিষিক্ত স্পিনার তাইজুল প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন। এই দু’জনের মতো তাদের সতীর্থরা নিজেদের কাজটা করতে পারলে আশা দেখতে পারে বাংলাদেশ।
গত টেস্টের একাদশে বাংলাদেশ কিছু পরিবর্তন আনছে। একটা পরিবর্তন অবশ্য বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। অসুস্থজনিত কারণে ফিরে আসছেন ইমরুল কায়েস। তার বদলে এনামুল হক বিজয়ের মাঠে নামার সম্ভাবনা বেশি। সে ক্ষেত্রে ইনিংস শুরু করবেন বিজয় ও তামিম। এদিকে বোলিংয়ে ধারটা বাড়াতে চাইবে বাংলাদেশ। উইকেটে ঘাস না থাকলে আজ দীর্ঘকাল পর টেস্টে খেলার সুযোগ হয়ে যাবে ইলিয়াস সানির। তাকে জায়গা দিতে ব্যাটিং অলরাউন্ডার শুভাগত হোমকে বাইরে চলে যেতে হতে পারে; শুভাগতও বাঁহাতি স্পিনেই নিজের দক্ষতা দেখিয়েছিলেন। সানিকে জায়গা দিতে একজন ব্যাটসম্যান কমিয়ে ফেলারও পরিকল্পনা আছে। সে ক্ষেত্রে কপাল পুড়তে পারে সামসুর রহমান শুভর।
অন্য দিকে উইকেটে ঘাস থাকলে পেসার রবিউল ইসলামের প্রত্যাবর্তন হতে পারে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলেও একটা পরিবর্তন আসছে। ব্যক্তিগত কাজের কারণে এই টেস্টে খেলতে পারবেন না তাদের ওপেনার ক্রিস গেইল।
তবে শেষ পর্যন্ত দল যেমনই হোক, বাংলাদেশকে ইতিবাচক কিছু পেতে হলে আগে নিজেদের পারফরম্যান্স ভালো করতে হবে।
চিরায়তভাবে সেন্ট লুসিয়া ব্যাটসম্যানদের পক্ষেই থাকে; বোলারদের মধ্যে সামান্য সহায়তা পেয়ে থাকেন স্পিনাররা। উইকেটের এই তত্ত্বটা সঠিক হলে বাংলাদেশের জন্য সেটা ভালো খবরই হওয়ার কথা। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, বিশেষ করে মুশফিকুর রহিম গত টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন। এছাড়া অভিষিক্ত স্পিনার তাইজুল প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন। এই দু’জনের মতো তাদের সতীর্থরা নিজেদের কাজটা করতে পারলে আশা দেখতে পারে বাংলাদেশ।
গত টেস্টের একাদশে বাংলাদেশ কিছু পরিবর্তন আনছে। একটা পরিবর্তন অবশ্য বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। অসুস্থজনিত কারণে ফিরে আসছেন ইমরুল কায়েস। তার বদলে এনামুল হক বিজয়ের মাঠে নামার সম্ভাবনা বেশি। সে ক্ষেত্রে ইনিংস শুরু করবেন বিজয় ও তামিম। এদিকে বোলিংয়ে ধারটা বাড়াতে চাইবে বাংলাদেশ। উইকেটে ঘাস না থাকলে আজ দীর্ঘকাল পর টেস্টে খেলার সুযোগ হয়ে যাবে ইলিয়াস সানির। তাকে জায়গা দিতে ব্যাটিং অলরাউন্ডার শুভাগত হোমকে বাইরে চলে যেতে হতে পারে; শুভাগতও বাঁহাতি স্পিনেই নিজের দক্ষতা দেখিয়েছিলেন। সানিকে জায়গা দিতে একজন ব্যাটসম্যান কমিয়ে ফেলারও পরিকল্পনা আছে। সে ক্ষেত্রে কপাল পুড়তে পারে সামসুর রহমান শুভর।
অন্য দিকে উইকেটে ঘাস থাকলে পেসার রবিউল ইসলামের প্রত্যাবর্তন হতে পারে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলেও একটা পরিবর্তন আসছে। ব্যক্তিগত কাজের কারণে এই টেস্টে খেলতে পারবেন না তাদের ওপেনার ক্রিস গেইল।
তবে শেষ পর্যন্ত দল যেমনই হোক, বাংলাদেশকে ইতিবাচক কিছু পেতে হলে আগে নিজেদের পারফরম্যান্স ভালো করতে হবে।
