বিশ্বব্যাপী এখন উচ্চমূল্যের পোশাকের বাজার ১৩০ বিলিয়ন ডলারের। এই উচ্চমূল্যের পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান খুবই নগণ্য। বিশাল ওই বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগের অংশ হিসেবে উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের হাল আমলের ফ্যাশন সম্পর্কে সচেতন করতে গত বছর থেকে ঢাকায় শুরু হয়েছে ফ্যাশনলজি সম্মেলন। আগামী ২ মে হবে এই সম্মেলনের দ্বিতীয় আসর। বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জ এ সম্মেলনের আয়োজন করছে। এতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা, ফ্যাশন বিশেষজ্ঞ ও ক্রেতা প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৩০ বিলিয়ন ডলারের স্মার্ট পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সংহত করার লক্ষ্য নিয়ে এবার বাংলাদেশ ফ্যাশনলজি সামিটের দ্বিতীয় আসর হচ্ছে। সাধারণ পোশাক পণ্য থেকে উচ্চ মূল্যের পণ্য উত্পাদনের দিকে যাওয়ার কাজটি খুব সহজ নয়। তাই আমাদেরকে যথার্থ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে এগুতে হবে। প্রক্রিয়াটিকে সহজ করে তোলা বাংলাদেশ ফ্যাশনলজি সামিটের মূল লক্ষ্য। এবারের সম্মেলনের মূল শ্লোগান ‘ডিজিটালাইজেশন - দ্য নেক্সট ডেস্টিনেশন’। বাংলাদেশ এ্যাপারেল একচেঞ্জ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মোস্তাফিজ উদ্দিন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পোশাক উদ্যোক্তাদের উচ্চ মূল্যের পোশাকের উপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে দ্বিতীয়। গত বছরে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু রপ্তানিকৃত পোশাকের বেশিরভাগই শার্ট, টি-শার্ট, ট্রাউজার, ডেনিম এবং সোয়েটার। এই পাঁচটি বেসিক বা মৌলিক পোশাক পণ্যের মধ্যে এখনও সীমাবদ্ধ।
