রসগোল্লার জন্ম

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০১৫, ১৩:৪১
কোলকাতা, নেপাল এবং রাজস্থানের রাস্তার ধারের পুরি মন্দির থেকে বাকিংহাম প্যালেসের করিডর পর্যন্ত রসগোল্লা প্রাচীন ভারতীয় সবচেয়ে সুখাদ্য হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। খবর ক্লিক ইত্তেফাকের।
 
বাঙালিরাও রসগোল্লাকে নিজেদের উদ্ভাবন হিসেবে দাবি করেন। ওরিয়াসদের বিশ্বাস এ খাদ্য তাদের উদ্ভাবিত। কথিত ‘মিষ্টি তৈরির রাজা’ বিকাল্যান্যান্দকে আসল রসগোল্লা উদ্ভাবনের জন্য কৃতিত্ব দেয়া হয়। যা বর্তমান সবার কাছে পরিচিত। পনির বলকে জ্বাল দেয়ার পর এর ওপর চিনির সিরকা দেয়ার পদ্ধতিটির উদ্ভাবক বিকাল্যান্যান্দর। IMG0
 
অনেকেরই বিশ্বাস নবীন চন্দ্র দাস’র সৃষ্টি ‘‍স্পঞ্জ রসগোল্লা’র একটি জাত ছিল ‘রসগোল্লা’। পরবর্তীতে নবীন চন্দ্র দাস রসগোল্লা বাংলায় নিয়ে আসার চেষ্টা করেন মিষ্টান্ন হিসেবে বিকল্প শুকনো সন্দেশ সৃষ্টির জন্য। IMG1
 
এটাও হয়ে ওঠেনি। জটিল পদ্ধতির এই প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়ে নবীন অবশেষে তার নিজের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে রিথা ব্যবহার এবং বুদবুদ সৃষ্টি করে নিজের মত করে রসগোল্লা তৈরি করেন। যাতে সিরাপের ব্যবহার না করেও রসগোল্লাকে স্পঞ্জের চেয়েও নরম ভাবে তৈরি করা হয়। IMG2