গত রোববার বিকেলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদের নেতৃত্বে ধোপাজান-চলতি নদীতে অবৈধ বোমা মেশিন বন্ধে অভিযান চালানোর সময় স্থানীয় এলাকাবাসীর হামলার শিকার হন ভ্রাম্যমাণ আদালতের সদস্যরা।
অভিযান পরিচালনার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্বম্ভরপুর থানায় মামলা হয়েছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসনের অফিস সহকারী আবদুর রকিব পাঠান বাদী হয়ে রোববার রাতে এ মামলা করেন। মামলায় ২৮ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
