যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার অপরাধে স্বামী মোকাররম হোসেনকে (৩৯) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মিজানুর রহমান মঙ্গলবার এ রায় দেন।
আদালত মামলার অপর আসামি মোকাররমের বাবা আফজাল হোসেনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। রায়ের সময় মোকাররম হোসেন ও আফজাল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের সোটাহার ধারকী গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে রুলিয়া বেগমের সঙ্গে ১৯৯৬ সালে মোকাররম হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রুলিয়ার পরিবার ১৭ হাজার টাকা ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দেন। কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পর মোকাররম ও তাঁর মা-বাবা রুলিয়ার কাছে আরও ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন।
টাকা দিতে না পারায় ১৯৯৯ সালের ২৮ এপ্রিল রুলিয়া বেগমকে মোকাররম ও তাঁর মা-বাবা মারধর করেন। পরে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় রুলিয়া বেগমের চাচা এনামুল হক বাদী হয়ে সদর থানায় মোকাররম ও তাঁর মা-বাবার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) গোকুল চন্দ্র মণ্ডল জানান, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গতকাল রায় ঘোষণা করা হয়।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে রুলিয়া বেগমের সঙ্গে ১৯৯৬ সালে মোকাররম হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রুলিয়ার পরিবার ১৭ হাজার টাকা ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দেন। কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পর মোকাররম ও তাঁর মা-বাবা রুলিয়ার কাছে আরও ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন।
টাকা দিতে না পারায় ১৯৯৯ সালের ২৮ এপ্রিল রুলিয়া বেগমকে মোকাররম ও তাঁর মা-বাবা মারধর করেন। পরে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় রুলিয়া বেগমের চাচা এনামুল হক বাদী হয়ে সদর থানায় মোকাররম ও তাঁর মা-বাবার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) গোকুল চন্দ্র মণ্ডল জানান, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গতকাল রায় ঘোষণা করা হয়।
