জরুরি অবস্থা জারি ইস্যু

ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাবে ভেটো দেবেন ট্রাম্প

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৫৭

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের জারি করা জরুরি অবস্থা আটকাতে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে আগামী মঙ্গলবার ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হবে। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি জানিয়েছেন, শুক্রবার এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন তিনি এ প্রস্তাবে ভেটো দেবেন।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের জরুরি অবস্থা চ্যালেঞ্জ করতে এটা হলো প্রথম পদক্ষেপ। পেলোসি আশা করছেন, ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত হাউসে প্রস্তাবটি পাস হবে। এরপর প্রস্তাবটি রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনেটে উত্থাপিত হবে। সেখানে প্রস্তাবটি পাস হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। কিন্তু এরই মধ্যে ট্রাম্প জানিয়েছেন, কংগ্রেসের দুই কক্ষে প্রস্তাবটি পাস হলে তাতে ভেটো দেবেন তিনি। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমি শতভাগ ভেটো দেব।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় জরুরি অবস্থা আইনের একটি অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কংগ্রেস এই জরুরি অবস্থা আটকাতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের উভয়কক্ষে  প্রস্তাবের অনুমোদন পেতে হবে এবং প্রেসিডেন্ট তাতে ভেটো দেবে না। আর প্রেসিডেন্ট ভেটো দিলে তার সিদ্ধান্ত বদলে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হবে। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী দেয়াল নির্মাণে বরাদ্দ দিতে রাজি হয়নি ডেমোক্র্যাটরা। তাই কংগ্রেসকে পাস কাটিয়ে এই অর্থ বরাদ্দ নিতে জরুরি অবস্থা জারি করেন ট্রাম্প।

জাতিসংঘের দূত হিসেবে কেলি ক্রাফটকে বেছে নিলেন ট্রাম্প

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কানাডায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেলি ক্রাফটকে মনোনীত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। শুক্রবার টুইটে এ কথা জানান তিনি। জাতিসংঘে সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালে গত অক্টোবরে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরপর মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র হিদার নোয়ার্টকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন দেন ট্রাম্প। কিন্তু পারিবারিক কারণ দেখিয়ে নোয়ার্ট এই পদে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন গত সপ্তাহে।

নতুন মনোনয়ন পাওয়া ক্রাফট কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের একজন শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান ডোনার। তার নিয়োগের ব্যাপারে সুপারিশ করেন রিপাবলিকান সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা মিচ ম্যাককোনেল। ট্রাম্পের এই মনোনয়ন সিনেটে নিশ্চিত হলেই ক্রাফট জাতিসংঘে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ শুরু করবেন।