‘খায়রুল লেখাপড়া করত। ভালো ছাত্র ছিল। ছেলেকে লেখাপড়া করাতে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। পুলিশ আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে এখন বলছে ও নাকি জঙ্গি। একমাত্র ছেলের ভবিষ্যৎটাই পুলিশ শেষ করে দিল।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন গাজীপুরে অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ছাত্র খাইরুল ইসলামের বাবা স্কুলশিক্ষক আবুল কাশেম (৫৫)।
গাজীপুরের কাউলতিয়া এলাকার স্কুলশিক্ষক আবুল কাশেমের একমাত্র ছেলে খাইরুল ইসলামকে গত ৯ আগস্ট তাঁদের বাড়ি থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর ২৪ সেপ্টেম্বর খাইরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
গত ১০ আগস্ট খাইরুলের বাবা বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় উল্লেখ করা হয়, খায়রুল ইসলাম (২৪) গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। ৯ আগস্ট দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাড়ির সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজায় নক করা হয়। দরজা খুললে বাড়ির বাইরে ১০-১২ জন সাদা পোশাকধারীর কয়েকজনকে অস্ত্রসহ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তারা ঘরে প্রবেশ করে খাইরুল ইসলামকে টানাহেঁচড়া করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় খাইরুলের মুঠোফোন, ল্যাপটপ, আইডি কার্ডসহ বিভিন্ন কাগজপত্র তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।
গতকাল শনিবার বিকেলে খাইরুলের বাবা ইত্তেফাককে বলেন, ‘ছেলেকে বাসা থেকে নেওয়া হয়েছিল ৯ আগস্ট। ২৪ তারিখে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর জনসম্মুখে আনা হলো। তাহলে মাঝের এই সময়টা আমার ছেলে কোথায় ছিল।’
আবুল কাশেম আরও বলেন, ‘আমার ছেলে ধার্মিক ছিল। তবে কখনো কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল না।’ তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, তাঁর ছেলেকে গ্রামের কেউ খারাপ বললে ওর যেকোনো শাস্তি মেনে নেবেন। ওর বিরুদ্ধে থানায় কোনো অভিযোগও নেই।
জানতে চাইলে জয়দেবপুর থানার ওসি (তদন্ত) আলম চাঁদ প্রথম আলোকে বলেন, খাইরুলের বাবা আবুল কাশেম জয়দেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সেটা অপহরণ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এরপর পুলিশের সব রকম কৌশল দিয়ে খাইরুলকে উদ্ধার করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। গত ২৪ তারিখ তাঁরা জানতে পেরেছেন, খাইরুলকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য হিসেবে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
ওসি (তদন্ত) জানান, খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে খারাপ কিছু পাওয়া যায়নি। কাগজে-কলমে কোনো অভিযোগও নেই।
২৫ সেপ্টেম্বর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এক সংবাদ সম্মেলনে খাইরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায়। এর মধ্যে খাইরুল ইসলামকে ২৪ সেপ্টেম্বর রামপুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে দাবি করা হয়।
তবে ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান দাবি করেন, খাইরুলকে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখার অভিযোগ সঠিক নয়।
গাজীপুরের কাউলতিয়া এলাকার স্কুলশিক্ষক আবুল কাশেমের একমাত্র ছেলে খাইরুল ইসলামকে গত ৯ আগস্ট তাঁদের বাড়ি থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর ২৪ সেপ্টেম্বর খাইরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
গত ১০ আগস্ট খাইরুলের বাবা বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় উল্লেখ করা হয়, খায়রুল ইসলাম (২৪) গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। ৯ আগস্ট দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাড়ির সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজায় নক করা হয়। দরজা খুললে বাড়ির বাইরে ১০-১২ জন সাদা পোশাকধারীর কয়েকজনকে অস্ত্রসহ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তারা ঘরে প্রবেশ করে খাইরুল ইসলামকে টানাহেঁচড়া করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় খাইরুলের মুঠোফোন, ল্যাপটপ, আইডি কার্ডসহ বিভিন্ন কাগজপত্র তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।
গতকাল শনিবার বিকেলে খাইরুলের বাবা ইত্তেফাককে বলেন, ‘ছেলেকে বাসা থেকে নেওয়া হয়েছিল ৯ আগস্ট। ২৪ তারিখে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর জনসম্মুখে আনা হলো। তাহলে মাঝের এই সময়টা আমার ছেলে কোথায় ছিল।’
আবুল কাশেম আরও বলেন, ‘আমার ছেলে ধার্মিক ছিল। তবে কখনো কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল না।’ তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, তাঁর ছেলেকে গ্রামের কেউ খারাপ বললে ওর যেকোনো শাস্তি মেনে নেবেন। ওর বিরুদ্ধে থানায় কোনো অভিযোগও নেই।
জানতে চাইলে জয়দেবপুর থানার ওসি (তদন্ত) আলম চাঁদ প্রথম আলোকে বলেন, খাইরুলের বাবা আবুল কাশেম জয়দেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে সেটা অপহরণ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এরপর পুলিশের সব রকম কৌশল দিয়ে খাইরুলকে উদ্ধার করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। গত ২৪ তারিখ তাঁরা জানতে পেরেছেন, খাইরুলকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য হিসেবে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
ওসি (তদন্ত) জানান, খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে খারাপ কিছু পাওয়া যায়নি। কাগজে-কলমে কোনো অভিযোগও নেই।
২৫ সেপ্টেম্বর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এক সংবাদ সম্মেলনে খাইরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায়। এর মধ্যে খাইরুল ইসলামকে ২৪ সেপ্টেম্বর রামপুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে দাবি করা হয়।
তবে ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান দাবি করেন, খাইরুলকে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখার অভিযোগ সঠিক নয়।
