মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীতে একটি নির্মাণাধীন ভবনে মেহেদী হাসান (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের লাশ পাওয়া গেছে। স্থানীয় পর্যায়ে মারামারিকে কেন্দ্র করে ওই কিশোরকে হত্যা করা হয়েছে বলে তার আত্মীয়দের অভিযোগ।
মেহেদী মিরপুর বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ত। পল্লবীর ১১ নম্বর লাইনের সি ব্লকের ১৪ নম্বর বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকত। বাসার পাশেই একটি নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে মঙ্গলবার বিকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। মেহেদীর বাবা মোশাররফ হোসেনের কাপড়ের দোকান রয়েছে মিরপুর ১১ নম্বরের মোহাম্মদিয়া মার্কেটে। দুই ভাই-বোনের মধ্যে মেহেদী ছিল বড়।
মেহেদীর মামা সোলায়মান হোসেন জানিয়েছেন, “দুপুরে আমার আরেক ভাগিনা অনিক ফোনে জানায়, পল্লবীর ১০ নম্বর লাইনের কিছু ছেলের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এজন্য ওই মহল্লার ছেলে ওলি ও হাসিবরা মেহেদীর বন্ধু আবীরকে মারধর করে। আবীরকে মারধরের পর তারা মেহেদীকে খুঁজতে থাকে। এরপর তাদের একজন মেহেদীকে ধরে নিয়ে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখান থেকেই পুলিশ মেহেদীর লাশ উদ্ধার করে।”
মেহেদীর মামাত ভাই মিরপুর বাংলা স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনিক বলে, “মেহেদী ভাইয়াকে ওলি, হাসিব ও সাদ্দামরা ধরে ওই বিল্ডিংয়ে নিয়ে মারধর করে। সেখানেই ভাইয়া মারা যান।” পল্লবী থানার ওসি মো. জিয়াউজ্জামান বলেন, লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য তা ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
