শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার খাদ্যগুদামের শ্রমিকেরা গত ৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন কার্যালয়ে অনিয়মের ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। অভিযোগে খাদ্যগুদামটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি-এলএসডি) বিরুদ্ধে খাদ্যগুদাম থেকে নয় লাখ ৯২ হাজার টাকা মূল্যের চাল সরানো কথা বলা হয়। খাদ্যগুদাম কার্যালয় ও শ্রমিক সূত্র জানায়, গত ৩১ মে মঞ্জুরুল আলম উপজেলা খাদ্যগুদামে ওসি-এলএসডি পদে যোগদান করেন। এর পর থেকেই তিনি শ্রমিকদের খাদ্যগুদামের সংরক্ষিত বস্তা থেকে চাল সরানোর কাজ করতে বাধ্য করেন। তাঁর কথামতো কাজ না করলে দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দেন। গত তিন মাসে তিনি শ্রমিকদের দিয়ে গুদাম থেকে তিন হাজার ৮৪০ টন চাল থেকে ৩২ টন চাল সরিয়ে ফেলেন। এর মূল্য নয় লাখ ৯২ হাজার টাকা। এ কাজের জন্য মঞ্জুরুল শ্রমিকদের টনপ্রতি সাত হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে শ্রমিকেরা টাকা চাইলে মঞ্জুরুল টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এরপর গুদামের নিযুক্ত ১৮ জনের মধ্যে ১৫ শ্রমিক লিখিত অভিযোগ করেন।
গুদাম থেকে চাল সরানোর সঙ্গে জড়িত একজন শ্রমিক বলেন, ‘ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্থানীয় সাংসদ ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এলাকার দুস্থদের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ করেন। ২শ ৪০ টন চাল থেকে মঞ্জুরুল স্যারের কথামতো দুই টন চাল সরানো হয়।’
সব অভিযোগ অস্বীকার করে মঞ্জুরুল আলম বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝির কারণে তাঁরা এই অভিযোগ করেছিলেন। এখন তাঁদের সঙ্গে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।
