বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী বাজারের নৈশপ্রহরী সোনা মিয়াকে (৫০) হত্যার এক মাস পর পুলিশ গত বৃহস্পতিবার আন্তজেলা ডাকাত দলের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী তারা সকলেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
গ্রেপ্তারের পর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সামনে তারা স্বীকার করে, নৈশপ্রহরী সোনা মিয়া তাদের দলনেতাকে চিনে ফেলায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। এরপর লাশ গুম করতেই হাত-পা বেঁধে তাঁকে পুকুরে ফেলা হয়েছে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খালেকুজ্জামান বলেন, ‘ডাকাতির মালামাল ভাগাভাগি করে নিলেও একটি মুঠোফোন কাল হয়ে দাঁড়ায়। মুঠোফোনটি সুজন মিয়ার ভাগে পড়ে। এই মুঠোফোনটি সে কয়েক দিন ব্যবহারও করে। এর সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার প্রথম সাঘাটায় অভিযান চালিয়ে সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একই গ্রাম থেকে কালাম সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের সহায়তায় পার্বতীপুর এবং ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে অন্য চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
