চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার বিষাক্ত কীটনাশক পানে জুলিয়া খাতুন (৩২) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। জুলিয়ার পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, পুলিশের এক কর্মকর্তাকে টাকা না দেওয়ায় তাঁর প্ররোচনায় জুলিয়া আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত জুলিয়া জয়রামপুর গ্রামের ডাক্তারপাড়ার আসবাবের ব্যবসায়ী মোফাজ্জেল হোসেনের স্ত্রী। তাঁদের এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
জুলিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানান, তাঁদের প্রতিবেশী শহিদুল ইসলামের ছেলে বাবু এলাকার চিহ্নিত চোর। গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে বাবু ওই বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। প্রাচীরটি পুরোনো হওয়ায় ওপরের কয়েকটি ইট খুলে যায় এবং ভাঙা অংশসহ বাবু পুকুরে পড়ে যায়। বাড়ির লোকজন তাকে দেখে ফেলেন। বিষয়টি প্রথমে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হয় এবং তাঁদের পরামর্শে দামুড়হুদা থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। থানায় যাওয়ার খবর জানাজানি হলে বাবুর পরিবারের লোকজন বাবুর সঙ্গে জুলিয়ার পরকীয়া রয়েছে বলে অপপ্রচার করতে থাকেন।
জুলিয়ার ভাশুর রমজান অভিযোগ করেন, থানায় লিখিত দরখাস্ত জমা দেওয়ার সময় কর্তব্যরত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) একপ্রকার জোর করেই ৫০০ টাকা নেন। সরেজমিনে তদন্তের জন্য নিযুক্ত কর্মকর্তা সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাই তেল খরচ বাবদ দুই দফায় এক হাজার করে দুই হাজার টাকা আদায় করেন। এএসআই আবদুল হাই ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তে গিয়ে প্রথমেই বাবুদের বাড়িতে যান এবং তাদের মাধ্যমে প্রভাবিত হন। এরপর তিনি তাঁদের (রমজান) বাড়িতে যান এবং তেল খরচ বাবদ আবারও টাকা চান। ওই টাকা দিতে অপারগতা জানালে এএসআই আবদুল হাই গ্রামের লোকজনের সামনে বাবুর সঙ্গে পরকীয়া আছে দাবি করে জুলিয়াকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এএসআই চলে যাওয়ার পর গ্রামে পরকীয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। শেষমেশ লোকলজ্জায় জুলিয়া বৃহস্পতিবার সকালে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেন।
পুলিশ ওই দিন বিকেলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জুলিয়ার লাশ জয়রামপুর গ্রামে দাফন করা হয়।
জুলিয়ার স্বামী মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ‘পুলিশ চোরের পক্ষ নিয়ে ও মিথ্যা কলঙ্ক ছড়িয়ে আমার বউকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে। ১৬ বছরের সংসারে আমি জানি, আমার বউ কতটা সৎ ও চরিত্রবান।’
গতকাল দুপুরে বাবুর বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। এএসআই আবদুল হাই টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রতিবেশীরা কে কী বলেছে তা আমার জানা নেই। তদন্তের প্রয়োজনে জুলিয়াকে যতটুকু জিজ্ঞাসা করার দরকার করেছি। তদন্তকালে জানা গেছে, বাবুর স্বভাব-চরিত্র খুবই খারাপ।’
জুলিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানান, তাঁদের প্রতিবেশী শহিদুল ইসলামের ছেলে বাবু এলাকার চিহ্নিত চোর। গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে বাবু ওই বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। প্রাচীরটি পুরোনো হওয়ায় ওপরের কয়েকটি ইট খুলে যায় এবং ভাঙা অংশসহ বাবু পুকুরে পড়ে যায়। বাড়ির লোকজন তাকে দেখে ফেলেন। বিষয়টি প্রথমে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হয় এবং তাঁদের পরামর্শে দামুড়হুদা থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। থানায় যাওয়ার খবর জানাজানি হলে বাবুর পরিবারের লোকজন বাবুর সঙ্গে জুলিয়ার পরকীয়া রয়েছে বলে অপপ্রচার করতে থাকেন।
জুলিয়ার ভাশুর রমজান অভিযোগ করেন, থানায় লিখিত দরখাস্ত জমা দেওয়ার সময় কর্তব্যরত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) একপ্রকার জোর করেই ৫০০ টাকা নেন। সরেজমিনে তদন্তের জন্য নিযুক্ত কর্মকর্তা সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাই তেল খরচ বাবদ দুই দফায় এক হাজার করে দুই হাজার টাকা আদায় করেন। এএসআই আবদুল হাই ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তে গিয়ে প্রথমেই বাবুদের বাড়িতে যান এবং তাদের মাধ্যমে প্রভাবিত হন। এরপর তিনি তাঁদের (রমজান) বাড়িতে যান এবং তেল খরচ বাবদ আবারও টাকা চান। ওই টাকা দিতে অপারগতা জানালে এএসআই আবদুল হাই গ্রামের লোকজনের সামনে বাবুর সঙ্গে পরকীয়া আছে দাবি করে জুলিয়াকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এএসআই চলে যাওয়ার পর গ্রামে পরকীয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। শেষমেশ লোকলজ্জায় জুলিয়া বৃহস্পতিবার সকালে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেন।
পুলিশ ওই দিন বিকেলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জুলিয়ার লাশ জয়রামপুর গ্রামে দাফন করা হয়।
জুলিয়ার স্বামী মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ‘পুলিশ চোরের পক্ষ নিয়ে ও মিথ্যা কলঙ্ক ছড়িয়ে আমার বউকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে। ১৬ বছরের সংসারে আমি জানি, আমার বউ কতটা সৎ ও চরিত্রবান।’
গতকাল দুপুরে বাবুর বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। এএসআই আবদুল হাই টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রতিবেশীরা কে কী বলেছে তা আমার জানা নেই। তদন্তের প্রয়োজনে জুলিয়াকে যতটুকু জিজ্ঞাসা করার দরকার করেছি। তদন্তকালে জানা গেছে, বাবুর স্বভাব-চরিত্র খুবই খারাপ।’
