নোবেল জয়ী ও’কেফে যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতিতে উদ্বিগ্ন

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৪, ২০:২২
যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতি এবং প্রাণী গবেষণা নীতি দেশটির বৈজ্ঞানিক পর্যায়কে ঝুঁকির মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল জয়ী ও’কেফে দেশটির সরকারকে এ সতর্ক বার্তা দেন। খবর বিবিসির।
 
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া এই নিইরো-সাইনটিস্ট ইঁদুরের মস্তিষ্কের অভ্যন্তরীণ (জিপিএস) পদ্ধতির ওপর গবেষণার ফল স্বরুপ এ পুরস্কার লাভ করেন।
 
তিনি বলেন, সর্বোৎকৃষ্ট বিজ্ঞানী হায়ার করার ক্ষেত্রে দেশটির অভিবাসন আইন ‘‘খুব, খুবই বড় বাধা’’। এবং প্রাণী নিরীক্ষা আইন মুখ্য গবেষণার দরজা বন্ধ করতে পারে।
 
তিনি আরো বলেন, ‘‘আমি খুবই, আসলে খুবই উদ্বিগ্ন যদি লোকজনকে তুমি অভিবাসনের আওতায় যুক্তরাজ্যে আনতে চাও তাহলে কী করতে পার। আমি বলছি না, এটা অসম্ভব। কিন্তু আমাদের কঠিনভাবে ভাবতে হবে যাতে করে যুক্তরাজ্য বিদেশি লোকজনদের জন্য অধিকতর উন্মুক্ত রেখে স্বাগতম দেশ হিসেবে অভিবাসন নীতি গ্রহণ করে।’’
 
ও’কেফে আরো বলেন, বিজ্ঞানীরা আন্তর্জাতিক ব্যক্তি, উৎকৃষ্ট বিজ্ঞানীরা যেকোন জায়গা থেকে আসতে পারে। হয়ত কেউ প্রতিবেশী বা কেউ ছোট্ট গ্রাম থেকে, পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে। আমাদের অভিবাসন নীতি সহজ করা দরকার।
 
দেশটির সরকার বলছে, উঁচু মানের বিদেশি বিজ্ঞানী দেশটিতে কাজ করেছিল।
 
৭৭ বছর বয়সী প্রফেসর ও’কেফে চিকিৎসা বিজ্ঞানে (physiology or medicine) নোবেল লাভ করেন।
 
তিনি দেখিয়েছেন, যখন কোন এক জায়গার একটি ঘরে ইঁদুর ছিলো তখনই স্নায়ু কোষের একটি সেট সক্রিয় হয়ে যায়। যখন ইঁদুরটি ভিন্ন অবস্থানে ছিলো তখনই কোষের একটি ভিন্ন সেট সক্রিয় হয়ে যায়।
 
প্রফেসর ও'কেফে’র দাবি, মস্তিষ্কের মধ্যে জলহস্তী আকৃতির একটি মানচিত্রে অবস্তানরত কোষগুলো হচ্ছে অবস্থান-কোষ (প্লেস-সেল)।