ইসলামিক স্টেট (আইএস) জিহাদিরা সোমবার তুরস্ক সীমান্তবর্তী সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কোবানি শহরে ঢুকে পড়ে নগরীর পূর্বাঞ্চলের তিনটি এলাকা দখল করে নিয়েছে। কুর্দি বাহিনীর সাথে রাস্তায় রাস্তায় ব্যাপক যুদ্ধের পর তারা এসব এলাকা দখল করে। মঙ্গলবারও সেখানে ব্যাপক যুদ্ধ চলছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার চারটায় (গ্রিনিচ মান সময় ০১:০০) ওই এলাকায় জঙ্গিদের ওপর মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট ব্যাপক বিমান হামলা চালায়।
ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের ওপর চালানো বিমান হামলার সময় সিরিয়ার সরকারি বাহিনীকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালযের মুখপাত্র জেনিফার সাকি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিফ্রিংয়ে বলেন, ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের ওপর চালানো বিমান হামলার সময় সিরিয়ার সরকারি বাহিনীকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা পরিচালনা করা হচ্ছে না। আমাদের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি। আমাদের মনোযোগ আইএস’র দিকে।
আইএস যোদ্ধার নগরীর পূর্বাঞ্চলীয় এসব এলাকায় প্রবেশ করে বিভিন্ন ভবন ও পাহাড়ে তাদের পতাকা উত্তোলন করে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, এসব এলাকা থেকে প্রায় ২ হাজার নাগরিক তুরস্ক সীমান্তে পালিয়ে গেছে।
আইএস গ্রুপ ও তাদের বিরোধী শক্তির মধ্যে কোবানি শহর কৌশলগত দিক থেকে একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই বিরোধী শক্তির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের পশ্চিমা ও আরব মিত্র দেশগুলো রয়েছে।
উল্লেখ্য, শহরটি আইন আল-আরব হিসেবেও পরিচিত। সিরিয়ার ১ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশী নাগরিক এ শহর থেকে পালিয়ে গেছে। এদের অধিকাংশ কুর্দি।
খবর রয়টার্স, এএফিপ।
