পশ্চিম আফ্রিকা অঞ্চলে ইবোলা ভাইরাসের প্রকোপ এতটাই মারাত্মক রূপ নিয়েছে যে, বলা হচ্ছে এইচআইভি এইডসের পর ইবোলা ভাইরাসই সবচে হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ চিকিৎসা কর্মকর্তা মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের পরিচালক এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। খবর: বিবিসির।
তিনি বলছেন, এটি যাতে ভবিষ্যতে এইডসের মতো আতঙ্কজনক হয়ে না উঠতে পারে সেজন্য অতি দ্রুত আন্তজার্তিক উদ্যোগ নিতে হবে।
ইবোলা আক্রান্ত হয়ে পশ্চিম আফ্রিকাতে এ পর্যন্ত তিন হাজার আটশোরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এদের মধ্যে দুশোর বেশিই ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী।
এ অবস্থায়, ইবোলার মহামারি ঠেকাতে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের কাছে সম্মিলিতভাবে সাহায্য চেয়েছেন গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনের রাষ্ট্রপতিরা।
ইবোলা ঠেকাতে অর্থনৈতিক প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন জাতিসংঘের ইবোলা বিষয়ক সমন্বয়ক ডেভিড নেবেরো নিজেও।
তিনি বলছেন, ইবোলা ঠেকাতে এখন প্রতি এক ডলারে যা করা সম্ভব হবে, আগামী দুই মাস পর তার জন্য খরচ হবে ২০ থেকে ৩০ ডলার।
এদিকে গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে ইবোলা রোগী বাড়ছে বলে জানিয়েছে দাতব্য সংস্থা মেডিসিন্স সান্স ফ্রন্টিয়ারস।
সংস্থাটি বলছে, দ্রুতহারে ইবোলা ছড়াতে থাকায় সহযোগিতা প্রদানের েেত্রও এখন তারা হিমশিম খাচ্ছে।
গিনি, সিয়েরা লিওন ও লাইবেরিয়ার রাজধানী শহরগুলোতেও ইবোলা ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডেপুটি প্রধানও।
এদিকে স্পেনে ইবোলা আক্রান্ত নার্সের অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসাপাতাল কর্তৃপ।
ইবোলা ঠেকাতে প্রবেশপথগুলোতে আরো জোরালো পরীা-নিরীার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। ইবোল আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীদেরকে আরো ব্যাপকভাবে পরীা-নিরীা করার কথা জানিয়েছে ব্রিটেনেও।
