ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ও নবীনগরে পৃথক সংঘর্ষে ২জন নিহত হয়েছে। এসময় অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।
জানা গেছে, বৃহষ্পতিবার বিকেলে নাসিরনগর উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামের চট্টগ্রামে কর্মরত গার্মেন্টসকর্মী মো. খোরশেদ আলীর (৪২) সাথে বাড়ির সীমানা নিয়ে সাদ্দাম হোসেনের (২৮) কথা কাটাকাটি হয়। উত্তেজিত হয়ে সাদ্দাম হোসেনের হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে খোরশেদ আলীর মাথায় আঘাত করলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শুক্রবার ভোরে মারা যান। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে মর্গে রয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় নবীনগরে চরলাপাং গ্রামে আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দানেশ মেম্বার গ্রুপ ও শওকত মেম্বার গ্রুপের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে উভয়পক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সশস্ত্র সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ঘটনাস্থলে চরলাপাং গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে সুমন (২২) নিহত হয়। সংঘর্ষে মহিলাসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মজিবুর রহমান (৩৫), আনোয়ার হোসেন (১৫), ইউসুফ (২২), ফুল মিয়া (৪০), লাইলীকে (২০) ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা তাজুল ইসলাম মামলা করলে পুলিশ ইউপি মেম্বার নুরুল ইসলামসহ ১৪ জনকে গ্রেফতার করে। অপরদিকে শুক্রবার সকালে উপজেলার নোয়াগ্রামে ফুটবল খেলার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়। গুরুতর আহত আবু কাউছার (২৬) ও ইকুকে (১৭) নবীনগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে প্রায় ২০ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে নবীনগর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রূপক কুমার সাহা জানান, সংঘর্ষের সাথে জড়িত সন্দেহভাজন কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
