লতিফ সিদ্দিকী অন্তরাল থেকে আত্মগোপনে!

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৪, ১২:৩৯

সরকারের ‘অবৈধ’ এবং বিতর্কিত মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী এখন কোথায় আছেন তা কেউ জানেন না। মন্ত্রিত্ব হারানো থেকে শুরু করে দল থেকে বহিষ্কার, মামলা, সমন জারি, ফতোয়া, ফাঁসির দাবি ইত্যাদির পর এখন তার সংসদ পদ বাতিল এবং তাকে বিদেশেও সরকার কর্তৃক অবৈধ ঘোষণার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত!
খবরে প্রকাশ, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সবুজ সঙ্কেত পাননি। একে একে সব বাতি নিভে যাওয়ায় তিনি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে এখন অন্তরাল থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন! ভয়েস অফ আমেরিকা, বিবিসি এবং দেশ-বিদেশের সাংবাদিকরাও তার কোনো হদিস পাচ্ছেন না।
ধারণা করা হচ্ছে, ভিসাগত কারণে তিনি এখনো কানাডায় প্রবেশ করেন নি। নিউ ইয়র্কেও তিনি নেই। হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের অন্য শহরে লোক চক্ষুর অন্তরালে অবস্থান করছেন। এ ব্যাপারে ঢাকায় তার এক ঘনিষ্ঠজন ইত্তেফাককে জানান, হয়তো সতর্কতা অবলম্বন করছেন তিনি। তবে এই মুহূর্তে তিনি দেশে ফিরছেন না। তা অনেকটা নিশ্চিত।
লতিফ সিদ্দিকীর অবস্থান সম্পর্কে তার ছোট বোন সেলিনা সিদ্দিকী শুশু বলেন, ‘আমার সাথে যোগাযোগ হয়নি। আমি সঠিক জানিনা। এ ছাড়া আমি আর কিছুই বলতে চাইনা।’
কানাডাস্থ বাংলাদেশের হাই কমিশনার কামরুল আহসানের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কোনো খবর নেই। একজন মন্ত্রী হিসেবেও হাই কমিশনে আজ পর্যন্ত যোগাযোগ করেননি এবং সরকার থেকেও অটোয়াস্থ দূতাবাসকেও কিছুই অবগত করা হয়নি।’ নিউ ইয়র্কের কনস্যুলার অফিস থেকেও একই কথা বলেছে।
জানা গেছে, নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতির ঘরোয়া বৈঠকে পরিকল্পিতভাবেই লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য ধারণ করে জামায়াতের টাইম টেলিভিশনের ফারুক চৌধুরীকে সরবরাহ করা হয়। সেখান থেকেই তা মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
অপর খবরে প্রকাশ, মেক্সিকোর লেবানিজ বংশোদ্ভূত ধনকুবের ও ভিওআইপি ব্যবসায়ী কার্লোস স্লিমকে বাংলাদেশে টেলিকম ব্যবসায় বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার বিনিময়ে ২৫ মিলিয়ন ডলারের কমিশন ভাগ নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অনেকের ধারণা।