বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরীকে দ্বীপান্তরে পাঠানোর দাবি তুলেছে প্রবাসী বাঙালিরা।
প্রবাসী বাঙালিদের দাবি, কানাডার আইনে নির্যাতন, গুম এবং বিচার বহির্ভূত হত্যার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় নূর চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর অধিকার সরকারের রয়েছে অথবা দ্বীপান্তরে পাঠানোর বিধান আছে।
প্রতি বছর ১০ হাজারের বেশি লোককে কানাডা বহিষ্কার করে। এদের মধ্যে কানাডার অভিবাসী নাগরিকও রয়েছেন। তারা শুধু যে নানান অপরাধে অপরাধীই নয়; ৭০ শতাংশ লোকই উদ্বাস্তু। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির (সিবিএসএ) দেয়া নথিপত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাইভেসি সম্পর্কিত আইনের কারণে সিবিএসএ কোন ব্যক্তিকে বহিষ্কার সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করে না। ফলে বেশিরভাগ কানাডীয়কে কেবল সংবাদমাধ্যমে মাঝেমধ্যে প্রকাশিত তথ্য পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
সম্প্রতি সিবিএস'র রিপোর্ট মোতাবেক টরস্টার নিউজ সার্ভিস এক নতুন পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, ২০০৪ সালের শুরু থেকে ২০১৪ জুন শেষ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫৭ জন্য লোককে কানাডা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭০ শতাংশ লোকই উদ্বাস্তু হিসাবে আশ্রয় পাবার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে পারেনি।
উদ্বাস্তু হিসাবে আশ্রয় লাভের আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়া লোকেদের সংখ্যা প্রতি বছরই বেড়েছে। এক দশক আগে যে সংখ্যা ছিলো বছরে ৮০০০ সেটি ২০১২ সালে ছিলো ১৩০০০এর বেশি। ২০১৩ সালে অবশ্য সংখ্যাটি ১০,৫০৫ জনে নেমে আসে।
স্থানীয় প্রবাসী কন্ঠ থেকে আরো জানা যায়, এসব লোকেদের মধ্যে ৫০০ জনকে এমন পাঁচটি দেশে পাঠানো হয় যেখানে কানাডার বহিষ্কারের আইনগত অধিকার রয়েছে। দেশগুলো হলো, হাইতি, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, জিম্বাবুয়ে, ইরাক ও আফগানিস্তান।
