নোয়াখালীতে ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৪, ১৭:৩৬
  
নোয়াখালীতে ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আবদুল কুদ্দুস মিয়ার আদালত জেলার পুলিশ সুপারকে এ নির্দেশ দিয়েছেন। 
হত্যার উদ্দেশ্যে  পায়ে গুলি করে পঙ্গু করার অভিযোগে সোনাইমুড়ী থানা  ও চট্রগ্রাম বন্দর থানার ৫ পুলিশ কর্মকর্তাসহ  আরো অজ্ঞাত ১০/১২ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে  মামলা জন্য আবেদন করেন যুবদল কর্মী নজরুল ইসলামের বাবা আবুল কাশেম। শুনানি শেষে আদালত এ মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেয়।
যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তারা হলেন, সোনাইমুড়ী থানার এস আই ইকবাল বাহার , ওসি  আশরাফুল ইসলাম, সাবেক ওসি আবদুস সামাদ ও  চট্রগ্রাম বন্দর থানার এস আই আসাদ এবং একই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এছাড়া আরো দুই  থানার আরো ১০/১২ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ঘটনার সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার বিবরণে  জানা যায়,  সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়ায় স্থানীয় যুবলীগ নেতা আরিফ হোসেন নামে এক ব্যক্তি খুন হন। এ হত্যা মামলায় নজরুলসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। গত ১৬ সেপ্টম্বর সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ চট্রগ্রামের বন্দর থানার পুলিশের সহযোগিতায় ঐ এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। পরদিন রাতে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জেলা শহর মাইজদীর শহীদ মিনারের পিছনে এনে পুলিশ তার বাম পায়ে দুইটি গুলি করে।  মৃত ভেবে পুলিশ তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ফেলে রেখে যায়। পরে তকে ঢাকার আর্থোপেডিক্স হাসপাতালে ভর্তি করার পর  ডাক্তারদের পর্রামর্শে তার বাম পয়ের হাটুঁর উপর থেকে কেটে ফেলা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিত্সাধীন রয়েছেন।
এ মামলায় নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র হারুনুর রশিদ আজাদ, সোনাইমুড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক কামাল ও সোনাইমুড়ি পৌরসভার মেয়র মোতাহার হোসেন মানিকসহ ১৩ জনকে স্বাক্ষী করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াস শরিফ জানিয়েছেন,  যুবলীগ নেতা আরিফ হোসেন হত্য মামলায়  নজরুল ইসলাম প্রধান আসামি। সে থানার তালিকাভূক্ত চার নম্বর শীর্ষ সন্ত্রাসী ।   তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১১ টি মামলা রয়েছে।  আরিফ  হত্যার আসামি হিসেবে তকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর নজরুলকে নিয়ে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য সোনাপুর এলাকায় গেলে তার সহযোগীরা পুলিশের উপর গুলি চালালে পুলিশ ও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় নজরুলের সহযোগীদের গুলিতে সে আহত হয়।  ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, একটি পিস্তল ও চারটি কাটতুজ উদ্ধার করা হয়।