চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জ পশুহাট ঘাটে মাথাভাঙ্গা নদীতে সেতু নেই। দুই পারে রশি বাঁধা রয়েছে। সেই রশি ধরে চলে একটি মাত্র নৌকা। সেই নৌকায় করেই চারটি ইউনিয়নের অন্তত ২০ গ্রামের শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের পার হতে হচ্ছে।
আলমডাঙ্গার খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, জেহালা, খাদিমপুর, চিতলা ও বড় গাংনী ইউনিয়নের কমপক্ষে পাঁচ হাজার লোক প্রতিদিন পশুহাট ঘাট পার হয়। বিগত সময়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট চাওয়ার সময় অনেকেই সেখানে একটি সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁদের কেউ সেতু তৈরির উদ্যোগ নেননি।
মাথাভাঙ্গা নদীর পূর্ব পাশে জেহালা ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ পশুহাট। পশ্চিম পাশে খাদিমপুর ইউনিয়নের পারকৃষ্ণপুর ঘাট। দুই ঘাটের দুই প্রান্তে থাকা বাঁশের খুঁটিতে টানটান করে রশি বাঁধা। ঘাটের ইজারাদার ও মাঝির নাম নিখিল চন্দ্র। খাদিমপুরের মাজহাদ গ্রামের একরামুল হক জানান, নিখিল চন্দ্র ওই ঘাট জেলা পরিষদের কাছ থেকে ইজারা নিয়েছেন। তিনি ঘাটে রশি দিয়ে নৌকা বেঁধে দিয়েছেন। লোকজন নৌকায় উঠে রশি ধরে ধরে নদী পার হন। নিখিল নদী পারাপার বাবদ বাড়ি বাড়ি ঘুরে মৌসুমি শস্য সংগ্রহ করেন।
মাথাভাঙ্গা নদীর পূর্ব পাশে জেহালা ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ পশুহাট। পশ্চিম পাশে খাদিমপুর ইউনিয়নের পারকৃষ্ণপুর ঘাট। দুই ঘাটের দুই প্রান্তে থাকা বাঁশের খুঁটিতে টানটান করে রশি বাঁধা। ঘাটের ইজারাদার ও মাঝির নাম নিখিল চন্দ্র। খাদিমপুরের মাজহাদ গ্রামের একরামুল হক জানান, নিখিল চন্দ্র ওই ঘাট জেলা পরিষদের কাছ থেকে ইজারা নিয়েছেন। তিনি ঘাটে রশি দিয়ে নৌকা বেঁধে দিয়েছেন। লোকজন নৌকায় উঠে রশি ধরে ধরে নদী পার হন। নিখিল নদী পারাপার বাবদ বাড়ি বাড়ি ঘুরে মৌসুমি শস্য সংগ্রহ করেন।
মুন্সিগঞ্জ পশুহাট ঘাটে গিয়ে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে রশি টেনে নৌকায় পার হতে দেখা যায়। এ সময় নৌকায় আরও নয় শিশুসহ ১৩ জন যাত্রীকে পারকৃষ্ণপুর থেকে পশুহাটে আসতে দেখা যায়। সেখানে এক ঘণ্টা অবস্থানকালে অনেক শিশুকেই এভাবে রশি টেনে নদী পার হতে দেখা গেছে। জানা গেছে মুন্সিগঞ্জ সৃজনী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩শ ৫৭ শিক্ষার্থী, মুন্সিগঞ্জ মকছেদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীও একইভাবে নদী পার হয়ে আসে।
খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহজালাল বিশ্বাস বলেন, সেতুর জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে বারবার ধরনা দিয়েও লাভ হয়নি। এলজিইডির আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী সুপ্রিয় মুখার্জি বলেন, মুন্সিগঞ্জ পশুহাটে মাথাভাঙ্গা নদীতে সেতু তৈরির প্রাথমিক উদ্যোগ হিসেবে ইতিমধ্যে মাটির নমুনা পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি এলজিইডির সদর দপ্তরে প্রক্রিয়াধীন। চলতি অর্থবছরেই কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহজালাল বিশ্বাস বলেন, সেতুর জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে বারবার ধরনা দিয়েও লাভ হয়নি। এলজিইডির আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী সুপ্রিয় মুখার্জি বলেন, মুন্সিগঞ্জ পশুহাটে মাথাভাঙ্গা নদীতে সেতু তৈরির প্রাথমিক উদ্যোগ হিসেবে ইতিমধ্যে মাটির নমুনা পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি এলজিইডির সদর দপ্তরে প্রক্রিয়াধীন। চলতি অর্থবছরেই কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
