১৪ অক্টোবর খালেদা জিয়া ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়ার পর বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজের বাড়িতে পদ না পাওয়া নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস। পদ না পাওয়া উপস্থিত নেতারা হলেন— আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, জাবেদ হাসান স্বাধীন, তরুণ দে, শহীদুল্লাহ এমরান, ফেরদৌস মুন্না, তরিকুল ইসলাম টিটো, নুরুজ্জামান মুকিত লিংকন, মসিউর রহমান মিশু, শামসুজ্জোহা সুমন, হাবিবুর রহমান সুমন, রফিকুল ইসলাম রফিক, রাকিবুল ইসলাম রয়েল, কাজী শহিদুল ইসলাম, রকিউল হাসান সবুজ, আসাদুজ্জামান মিয়া, এস এম মোশারেফ হোসেন, দবির উদ্দিন তুষার ছাড়াও নতুন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ানুল হক রিয়াজ। এ সময় মির্জা আব্বাসের সঙ্গে ছিলেন যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। রবিবার বৈঠকে ফখরুলের সঙ্গেও তিনি ছিলেন। iদেড় ঘণ্টা বৈঠকের পর মির্জা আব্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছাত্রদলের নেতাদের মতে অমিল হয়েছে। তারা সেই কথাগুলো বলতে এসেছিল, তাদের বক্তব্যগুলো নেত্রীকে জানাব।’
এর আগে রবিবার পদ না পাওয়া নেতাদের সঙ্গে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে বৈঠক করেছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই বৈঠক শেষে তিনিও বলেছিলেন— বিক্ষুব্ধদের বক্তব্য শুনেছেন এবং তা দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জানাবেন। সোমবার ফখরুল, আব্বাসসহ বিএনপির কয়েকজন নেতা বৈঠক করেন। এর একদিন পর পদ না পাওয়া ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর একই কথা বললেন মির্জা আব্বাস।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ছাত্রদল নিয়ে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা এমন কিছু নয় যে সমাধানযোগ্য নয়।’
মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বৈঠকের পর গত কমিটির সহসভাপতি আবু সাঈদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ছাত্রদলকে বাঁচাতে যা করার করব। নেত্রী যেভাবে নির্দেশ দেবেন সেভাবে হবে।’
এ দিকে, রাজীব আহসানকে সভাপতি ও আকরামুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত ছাত্রদলের নতুন কমিটি এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে নতুন কমিটি।
