ভারত এবং পাকিস্তান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে প্রভাব পড়ছে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের খেলাধুলায়। এই দুই দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কথাও বিশ্ববাসীর জানা হয়ে গেছে। আশঙ্কায় রয়েছে এসএ গেমস। আগামী অক্টোবরে নেপালে এসএ গেমস হওয়ার কথা রয়েছে। শঙ্কা দেখা দিয়েছে অক্টোবরে সেটি হবে কিনা। কারণ ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্ব নিয়ে আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে বিওএ।
বিওএ’র উপ-মহাসচিব আসাদুজ্জামান কোহিনূর আশঙ্কার কথা প্রকাশ করলেও তারা এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়। কোহিনূর জানিয়েছেন খেলাটা যেহেতু পাকিস্তান কিংবা ভারতে হচ্ছে না। তৃতীয় দেশ নেপালে হবে। তাই আমরা এটা নিয়ে ভাবছি না। কোহিনূর বলেন, ‘১ মার্চ এসএ গেমসের ব্যাপারে সভা রয়েছে। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে হবে সেই সভা। আমরা আশা করছি সেখানে এসএ গেমসের তারিখ চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’ ব্যাংককের সভায় ভারত এবং পাকিস্তানের অলিম্পিক কর্মকর্তারা যোগ দেবেন কিনা সেই প্রশ্নে কোহিনূর জানিয়েছেন আমার তো মনে হয় তাদেরও আসা উচিত। রাজনৈতিক ইস্যুটা ভিন্ন। এখানে খেলাধুলার বিষয়। রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। তারপরও বলব আমরা যখন থাইল্যান্ডে মিটিংয়ে বসব সব পরিষ্কার হায়ে যাবে। আশাকরি ভালো কিছুই হবে।’
কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার কারণে পাকিস্তানের উপর ভারত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ ছড়ায়। ভারত এবং পাকিস্তানের লড়াইয়ের প্রভাব এরই মধ্যে ছড়িয়েছে খেলাধুলার অঙ্গনে।
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) ভারতের ওপর অলিম্পিক টুর্নামেন্ট আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। দিল্লীতে অনুষ্ঠানরত বিশ্বকাপ শ্যুটিংয়ে পাকিস্তানের শ্যুটারদের ভিসা না দেওয়া নিয়ে জল গড়িয়েছে অনেক দূর। টোকিও অলিম্পিক শ্যুটিংয়ে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করার সুযোগ দিল্লির বিশ্বকাপ শ্যুটিং। যেখানে ভারতের শ্যুটারদের আধিপত্য রয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় শ্যুটাররাও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। নেপালের এসএ গেমসের উপর যদি রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভাব পড়ে তাহলে নেপাল সেই গেমস আয়োজন করবে কিনা প্রশ্ন আছে। আসাদুজ্জামান কোহিনূর জানিয়েছেন আশা করি কিছুুই হবে না।
আর নেপাল যদি কোনো কারণে এসএ গেমস আয়োজন করতে না পারে তাহলে ভুটান কিংবা শ্রীলঙ্কা এই গেমস নেবে, আমার মনে হয় না।’ তিনি বলেন, ‘এরকম কিছু ঘটলে আমরাও গেমস আয়োজনে এগিয়ে যেতে পারি। তবে তার আগে সরকারের অনুমতিরও বিষয় রয়েছে। আমি এতো দূর যাব না। নেপালেই এসএ গেমস হবে।’
