ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত সংলগ্ন এলাকায় তৌহিদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তিনি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে এসেছিলেন।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কোর্ট ফাতেমা মঞ্জিলের সামনে এ ঘটনা হয়। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে থেকে গলা ও ডান পায়ের গোড়ালিতে রগকাটা অবস্থায় আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। তাদের দুজনকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে আহত তৌহিদুল জানান, তিনি মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের বিহারী ক্যাম্পে নিউ সোসাইটি মার্কেটের পাশে এ ব্লকের ৩ নম্বর এভিনিউতে থাকেন। ক্যাম্পের জায়গা দখল নিয়ে তার সঙ্গে অ্যাডভোকেট সেলিম ও তার ভাইদের বিরোধ চলছে। একারণে সেলিম তাকেসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ১টি মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলার হাজিরা দেয়ার তারিখ ছিল গতকাল বুধবার। আদালতে হাজিরা দেয়ার আগে কোর্ট স্ট্রীটের ফাতেমা মনঞ্জিলে তার আইনজীবীর চেম্বার থেকে বের হন। ভবনের সামনে সেলিমসহ ৫-৭ জন তাকে কুপিয়ে জখম করে। পরে পথচারীদের সহায়তায় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অপরদিকে আহত আলমগীর হোসেনের ভাতিজা সোহাগ ভুইয়া হাসপাতালে জানান, আলমগীর হোসেন বিসিআইসি ভবনের মেঘনা গ্রুপের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি সেভ করতে সেলুনে যাচ্ছেন বলে বাসা থেকে বের হন। তারপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার সকাল ৭টার দিকে তিনি ভাতিজা সোহাগকে মোবাইল ফোনে কল দেন। কিন্তু কোন কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। পরে সোহাগ কল কেটে দিয়ে তার চাচাকে কল দেন। তখন অপর একজন লোক টেলিফোন ধরে সোহাগকে তার চাচার অবস্থা বলেন। পরে তিনি এসে গলা ও ডান পায়ের গোড়ালিতে রগকাটা অবস্থায় চাচাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত তা তিনি জানাতে পারেননি। আলমগীর হোসেন কুমিল্লার হোমনার আব্দুল খালেক ভুঁইয়ার ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী কাঁচাবাজারের পাশে একটি বাসায় ভাড়া থাকেন।
