খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হতে পারে

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:০০

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারের ডে-কেয়ার সেন্টারে  বন্দি রয়েছেন এক বছরের বেশি সময়। মাঝখানে অসুস্থতার কারণে বেশ কয়েক দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিত্সাধীন ছিলেন। বিএনপি অভিযোগ করে আসছে, বেগম জিয়াকে একটি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে অন্ধকার ঘরে বন্দি রাখা হয়েছে। এ ছাড়া, তার চারপাশে রাসায়নিক বিস্ফোরকের ডিপো, অগ্নিকাণ্ডপ্রবণ এলাকা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলেও তাকে সুচিকিত্সা দেয়া হচ্ছে না।

এই অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের নারী সেলে স্থানান্তর করা হতে পারে বলে জানা গেছে। কারা কর্তৃপক্ষ স্থানান্তরের বিষয়টি অনেকটা চূড়ান্ত করেছে। এ জন্য কেরানীগঞ্জ কারাগারের নারী সেলের নির্ধারিত স্থান ধোয়া-মোছার কাজ চলছে। যেকোনো দিন খালেদা জিয়াকে স্থানান্তর করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কারাগারের একটি সূত্র জানিয়েছে। 

স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলেন ৫ চিকিত্সক

এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গতকাল কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ চিকিত্সক। সূত্র জানায়, বেলা ৩টার দিকে পাঁচ চিকিত্সক কারাগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে যান। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। পাঁচ সদস্যের এই চিকিত্সকদের দলে ছিলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাক্তার মো. আব্দুল জলিল চৌধুরী, রিউমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তানজিলা পারভিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বদরুন্নেসা আহমেদ এবং অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. চৌধুরী ইকবাল মাহমুদ।