খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, আগামী নির্বাচনের জন্য বিএনপিকে আরো চার বছর অপেক্ষা করতে হবে। ভয়-ভীতি দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না, ২০১৯ সালের এক দিন আগেও কোনো নির্বাচন হবে না। আর ওই নির্বাচনের সময় যদি কোনো সংলাপের প্রয়োজন হয়, তা হবে সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল দলগুলোর সাথে। যারা সংসদে নেই, তাদের সাথে কোনো অবস্থাতেই আলোচনা হওয়ার সুযোগ নেই।
শুক্রবার দুপুরে দোহারের জয়পাড়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে দোহার আওয়ামী লীগ আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্থানীয় সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম, পিনু খান এমপি, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক ইসমত কাদির গামা, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভূইয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, দোহার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজ্জব আলী মোল্লা, ডেপুটি কমান্ডার শাজাহান প্রমুখ।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে জঙ্গিরা, যাতে ইন্ধন দিচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। জঙ্গিবাদ হলো বিএনপি-জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন। দেশ থেকে বিএনপি-জামায়াতের ‘অপরাজনীতির শিকড়’ উপড়ে ফেলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও নিজস্ব সংস্কৃতি ধরে রাখতে দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ও সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তবেই এ দেশ থেকে বিএনপি-জামায়াতের অপরাজনীতির শিকড় উপড়ে ফেলা যাবে।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, হরতাল দিয়ে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বানচাল করা যাবে না। আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটাতে চেষ্টা করলে পরিণতি ভালো হবে না।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী-ভাতাসহ সব সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। যাদের বাড়ি-ঘর নেই, তাদের জন্য সরকার বাসস্থানের ব্যবস্থা করবে।
