দেশজুড়ে বিদ্যুত্ বিপর্যয়। টানা চেষ্টা করেও এ বির্পযয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি এখনো। এ কারণে সন্ধ্যার পর দেশের সকল নগরীর আলোক ব্যবস্থা আর সচল হয়নি। হঠাত্ করে দেশ জুড়ে এ বিপর্যয়ে সন্ধ্যার পর যেন দেশের সকল নগরী হযে ওঠে ভুতুরে। বাদ যায়নি রাজধানীও। ঢাকা হয়ে ওঠে এক অচেনা নগরী। জনমানব শূন্য এ রাজধানীতে ভুতুরে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকার ব্যস্ত এলাকাগুলো অনেকটাই স্বকীয়তা হারিয়েছে। একদিনেই বদলে গেছে রাজধানীর চিরাচরিত রূপ। বিদ্যুত্ বির্পযয়ের কারনে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান দুপুরের পরপরই ছুটি ঘোষণা করে। কর্মব্যস্ত শহর ঢাকা পাল্টে যায়। সন্ধ্যার পর রাজপথে মানুষের আনাগোনা কমে যায়। নেহাত না পেরে যাদের বাইরে থাকতে হয়েছে তারা ছাড়া সাধারণ মানুষদের খুব একটা দেখা যায়নি সড়ক ও যানবাহনগুলোতে। সন্ধ্যার পর আর জমে ওঠেনি রাজধানীর বিপণিবিতান অথবা সন্ধ্যার পর ঘর ফেরা মানুষের আড্ডা। অন্ধকারে গলিঘুপচি হয়ে ওঠে আরো অনিরাপদ। রিকশায় রিকশায টক্কর লেগেছে প্রায় প্রতিটি গলিতেই। ঘটেও গেছে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো ছিনতাইয়ের ঘটনা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, বিদ্যুত্ বিপর্যয় যে কি ভয়াবহ ঘটনা তা ২০১২ সালের ৩১ জুলাই পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ পড়ে বুঝতে পেরেছিলাম। ওই সময় টানা দুইদিন ভারতের অর্ধেক এলাকা জুড়ে বিদ্যুত্ ছিল না। দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাইসহ বেশির ভাগ নগরীতে ভুতুরে অবস্থা বিরাজ করছিল। সেই আবস্থাটি আজ ঢাকায় দেখা যাচ্ছে।
