ছাত্রলীগের ৩৭ নেতাকর্মী জেলহাজতে

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৪, ২০:৩২



সিলেটে পুলিশের দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় ছাত্রলীগের ৩৭ নেতাকর্মীকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। রবিবার তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে শুনানি শেষে জামিন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক জেরিন সুলতানা।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিয়ানীবাজার পৌর এলাকায় স্থানীয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাশেম পল্লব ও সাবেক আহবায়ক জামাল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে থানার ওসিসহ উভয় পক্ষের অন্ততঃ ১০ জন আহত হন। সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্রলীগের জামাল গ্রুপকে লক্ষ্য করে পল্লব গ্রুপ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২৫ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পল্লব  গ্রুপ ও জামাল গ্রুপ একে অন্যের অফিসে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে জনজীবনে ত্রাশ সৃষ্টি হয়। পরে শহরে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এই ঘটনায় বিয়ানীবাজার থানার এসআই মিজানুর রহমান বাদি হয়ে ৫৩ জনের নাম উল্লেখ ও আরো ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত রেখে  বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের ৩ ধারায় মামলা দায়ের করেন।

ঐ ৩৭ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী হচ্ছেন- আবুল কাশেম পল্লব, মাছুম আহমদ, অজিত আচার্য্য, বাবুল আহমদ, এমিল আহমদ, নাছির আহমদ, তোফায়েল আহমদ, গৌছ উদ্দিন, সাজন আহমদ, জাফর আহমদ, ছিদ্দিকুর রহমান, কাওছার আহমদ, ইমন উদ্দিন, এমদাদ আহমদ, মান্নান মিয়া, রাহেল আহমদ, কানন আহমদ, রাব্বী হোসেন, শামীম আহমদ, পুলক দাস, সাজু মিয়া, মিজান উদ্দিন, রিপন পদকর, হিমেল আহমদ, সুমন আহমদ, তারেক আহমদ, বদরুল ইসলাম, মঞ্জুর মিয়া, রমজান আলী, ছিদ্দিকুর রহমান, রেজা আহমদ, রাজন আহমদ, এমদাদ হোসেন, সুমন আহমদ জামাল, সাগর ও আলমাছ।