অ্যানিমেশন-শিল্প দেশের চলচ্চিত্রে নতুন সম্ভাবনা: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৪, ২১:০৩
 
 
 
 
তথ্যমন্ত্রী হাসানুক হক ইনু বলেছেন, অ্যানিমেশন শিল্প বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগত ও চিত্র পরিচালকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে। চিরাচরিত চলচ্চিত্রে সব কিছুকে বাস্তব চিত্রায়নে দুঃসাধ্য বিষয়। তবে মানুষ যা চিন্তা করে, তা এখন অ্যানিমেশনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা যায়।
রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ কর্তৃক আয়োজিত সিনেট ভবনে ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র জগতে অ্যানিমেশনের সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ সব কথা বলেন।
হাসানুল হক ইনু বলেন— উদ্ভাবনী, মানবতাবাদী ও মুক্ত মনের অধিকারী তরুণদের অ্যানিমেশন ছবির মাধ্যমে জনজীবনের চালচিত্র-অর্থনৈতিক বিকাশে ভূমিকা রাখতে হবে। চলচ্চিত্র শিল্পজগতকে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংকৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে এ দেশে সাম্প্রদায়িকতা ও  কুসংস্কার দূর করতে হবে, যারা শিল্পী তারা কখনো ধর্মান্ধ ও মানবতা-বিরোধী হতে পারে না।
মন্ত্রী বলেন, মিনা কার্টুন ছেলে-মেয়ের বৈষম্য বিষয়ক সচেতনতা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। নারীর নানা সমস্যা নিরসনে মিনা কার্টুন দিয়ে আরো এ রকম কাজ করা করা হবে।
সেমিনারে বিশিষ্ট কার্টুনিস্ট আহসান হাবিব বলেন, অ্যানিমেশন ছবি এখন জনপ্রিয় হচ্ছে। এখন ছোট-বড় সবাই অ্যানিমেশন ছবি দেখছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকাতার অভাবে যথাযথভাবে এ শিল্প এগোতে পারছে না।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের ডিজাইন বিভাগের সাবেক পরিচালক রেজাউল করিম দেশে নির্মিত প্রথম অ্যানিমেশন ছবি তৈরির অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করা সংগঠন স্টুডি বাঙ্গি, অরিঙ্গ লিমিটেড, আভা অ্যানিমেশন, অগ্নিরথসহ কয়েকটি ফার্মের প্রতিনিধি বাংলাদেশে অ্যানিমেশনের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। এ সময় বাংলাদেশি  অ্যানিমেটর দ্বারা তৈরি কয়েকটি অ্যানিমেশন ছবিও প্রদর্শন করা হয়।
সেমিনারে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, চিত্রপরিচালক সোহানুর রহমান, অ্যানিমেটর রানা মশিউর রহমান, যুবায়ের কাওলিন, সব্যসাচী মিস্ত্রী, আরজু রহমান মিঠু, মেহেদী হাসান প্রমুখ।