লাঞ্চিত হলেন এমপি ইলিয়াস মোল্লা

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০১৪, ২০:১৯
 
সামনে বসাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লা ও একই আসনের ৫৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিপুল মাকসুদ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ইলিয়াস মোল্লাকে বিপুল সমর্থরা লাঞ্চিত করেছেন। এসময় উভয় গ্রুপের সংঘর্ষে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে ইলিয়াস মোল্লা লাঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করলেও তার একজন সক্রিয় কর্মী তা স্বীকার করেছেন।
সোমবার বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের ডাক দেয় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। সমাবেশে দুপুর থেকে নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতার্মীরা মিছিলসহ আসতে থাকে।
বিকাল চারটার পরে ইলিয়াস মোল্লার নেতৃত্বে একটি মিছিল সমাবেশে যোগ দেয়। তারা ভিড় ঠেলে সামনে আসতে চাইলে বিপুল গ্রুপের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এতেই ইলিয়াস মোল্লা ও তার কর্মীদের সঙ্গে বিপুল গ্রুপের সংঘর্ষ বাধে।
এসময় ইলিয়াস মোল্লা বিপুল গ্রুপের কর্মীদের দ্বারা লাঞ্চিত হন। এর পরপরই ২ গ্রুপে হৈ-হুল্লোর করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হন।
ইলিয়াস মোল্লা বলেন, সংঘর্ষের সময় আমি মঞ্চে বসা ছিলাম। বসা নিয়ে নান্নু গ্রুপের সঙ্গে অন্যদের সংঘর্ষ চলাকালে মায়া ভাই আমাকে তা দেখার জন্য সেখানে  পাঠান। আমি তাদের শান্ত করি। পরে তারা আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা আমাকে লাঞ্চিত করেনি। অন্যদিকে এমপি ইলিয়াস মোল্লা গ্রুপের এক কর্মী বলেন, বিপুলের সমর্থকরা আমাদের এমপির গায়ে হাত তুলেছেন।
এমপি ইলিয়াস মোল্লার সরাসরি নির্দেশেই তার অনুসারীরা আমাদের উপর আগে চড়াও হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিপুল মাকসুদ।
তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্য হয়ে কীভাবে তিনি নিজ দলের নেতা-কর্মীদের মারার নির্দেশ দেন তা আমার বুঝে আসছে না। বিপুল বলেন, আমি মায়া ভাইয়ের কাছে এর বিচার দাবি করেছি। তিনি এর সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ অফিস সূত্রে জানা যায়, মোবাইল চুরি নিয়ে প্রথমে সংঘর্ষ শুরু হয় পরে তা গ্রুপ পর্যায়ে চলে যায়। এসময় মঞ্চে উপস্থিত মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম তা মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এতে তারা বিব্রববোধ করে ক্ষুদ্ধ মনোভাব ব্যক্ত করেন।