বাংলাদেশের অর্থনীতি
কৃষি ও শিল্প
১। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের কীভাবে সহায়তা করে?
উত্তর : কৃষি থেকে উত্পন্ন দ্রব্য রপ্তানি করে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। যেমন— পাট, চা, হিমায়িত চিংড়ি এবং এসব থেকে উত্পন্ন বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ও উপকরণ বিদেশে রপ্তানি করে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি।
২। আমাদের পোশাক শিল্পের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক বর্ণনা কর।
উত্তর : বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্প হলো পোশাক শিল্প। পোশাক শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক নিচে দেয়া হলো—
১.বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে এ খাত থেকে।
২.পোশাক শিল্পে লক্ষ লক্ষ নারী ও পুরুষ কাজ করায় বেকারত্বের হার হ্রাস পাচ্ছে।
৩. পোশাক শিল্পের প্রসার ঘটায় এর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য শিল্প ও বিকশিত হচ্ছে।
তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পোশাক শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
৩। বৃহত্ শিল্প ও ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যে পার্থক্য কী ?
উত্তর : বৃহত্ শিল্প ও ক্ষুদ্র শিল্পের পার্থক্য —
বৃহত্ শিল্প ও ক্ষুদ্র শিল্প
ক. যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান বিপুল মূলধন, অনেক শ্রমিক, আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দ্রব্য উত্পাদন করে সেগুলোকে বৃহত্ শিল্প বলে। যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান অল্প সংখ্যক শ্রমিক, হালকা যন্ত্রপাতি ব্যবহার দ্বারা দ্রব্য উত্পাদন করে সেগুলোকে ক্ষুদ্র শিল্প বলা হয়।
খ.বৃহত্ শিল্পের আয়তন ক্ষুদ্র শিল্প অপেক্ষা বৃহত্তর হয়। ক্ষুদ্র শিল্পের আয়তন ক্ষুদ্র হলেও তা কুটির শিল্প অপেক্ষা বৃহত্তর হয়।
গ. বৃহত্ শিল্প বড় বড় কারখানায় অবস্থিত। ক্ষুদ্র শিল্প ছোট ছোট কারখানায় অবস্থিত।
ঘ. বৃহত্ শিল্পে মূলধন বিনিয়োগের পরিমাণ অনেক বেশি। ক্ষুদ্র শিল্পে মূলধন বিনিয়োগের পরিমাণ কুটির শিল্প অপেক্ষা বেশি।
ঙ.বাংলাদেশের বৃহত্ শিল্পের মধ্যে সার শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, কাগজ শিল্প প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যে সাবান শিল্প, হোসিয়ারি শিল্প, রেশম শিল্প প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
১. .বাংলাদেশের প্রধান ফসল কোনটি? উক্ত ফসলটি কেন প্রধান ফসল হিসেবে বিবেচিত? ফসলটি সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখ।
উত্তর : বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান।
আমাদের প্রধান খাদ্য ভাত হওয়ায় ধান প্রধান ফসল হিসেবে বিবেচিত।
ধান সম্পর্কে তিনটি বাক্য—
১.বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলের জলবায়ু ধান চাষের উপযোগী।
২.ধান আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য।
৩.বাংলাদেশে আউশ, আমন ও বোরো এই তিন ধরনের ধান চাষ হয়।
