বাড়ির ছাদে মাদক সেবনে বাধা দেয়ার কারণে হত্যা করা হয় ক্রিকেটার মেহেদী হাসানকে (১৫)। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য জানিয়েছে গ্রেফতারকৃত অলি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম সোমবার অলি ও তার বাবা নান্নু মিয়াকে সাতক্ষীরা জেলার ভোমড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। ডিবি তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার রিমান্ডে নিয়েছে।
গত ৩০ সেপ্টম্বর রাজধানীর পল্লবীতে খুন হয় উদীয়মান তরুণ ক্রিকেটার মেহেদী হোসেন। এ ঘটনায় মেহেদীর বাবা মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) শেখ নাজমুল আলম জানান, গ্রেফতারকৃত অলি হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অলি জানায়, ঘটনার দিন খুন করার উদ্দেশ্যে মেহেদীকে বাসা থেকে ডেকে পার্শ্ববর্তী খোকার নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যায়। সেখানে অলি ও তার সহযোগী আশিক, ছট্টু, ফয়সাল ওরফে গন্ডার ফয়সাল, সাদ্দামসহ কয়েকজন ভবনের দেয়ালে মেহেদীর মাথায় সজোরে আঘাত করে গুরুতর জখম করে এবং ঘাড় ভেঙ্গে দেয়। ঘটনাস্থলেই মারা যায় মেহেদী। এরপর তারা পালিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, অলির বাবা নান্নু মিয়া একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। নিহত মেহেদী হোসেনের বাবা হাজী মোশারফ হোসেন স্থানীয় লোকজনসহ নান্নু মিয়া ও তার পরিবারের মাদক ব্যবসা বন্ধের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। তারা আরও জানায় যে, এজাহারনামীয় আসামী অলি, আশিক, ছট্টু, ফয়সাল ওরফে গন্ডার ফয়সাল, সাদ্দামসহ কয়েকজন মেহেদীদের বাড়ির ছাদে মাদকদ্রব্য সেবন করে। মেহেদী প্রতিবাদ করে। আর এসব কারণেই মেহেদীকে হত্যা করা হয়। তিনি জানান, পলাতক অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
