বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দিতে দেরি হওয়ায় রোববার হবিগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ঠিকাদারদের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পিটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আহতদের চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) শায়েস্তাগঞ্জ কার্যালয়ের উপদেষ্টা প্রকৌশলী রায়হানুল ইসলাম, আমজাদুল ইসলাম, ভান্ডাররক্ষক মুর্শেদ আলম ও ঠিকাদার আবুল কালাম আজাদ। তাঁদের মধ্যে আবুল কালাম আজাদ ও মুর্শেদ আলমকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পবিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বেলা দেড়টার দিকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সালেহ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান মাসুকের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২২ জন নেতা-কর্মী পবিসের শায়েস্তাগঞ্জ কার্যালয়ে যান। তাঁরা মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. রেজাউল হকের কক্ষে ঢুকে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকায় নতুন সংযোগের কাজ শেষ করতে দেরি হওয়ার কারণ জানতে চান।
এ সময় জিএম তাঁদের জানান, এটি প্রকল্পের কাজ। এই কাজ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এ কথা বলার পর তাঁদের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রায়হানুল ইসলাম, আমজাদুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, মুর্শেদ আলমসহ পাঁচ-ছয়জনকে পেটাতে থাকেন। ২০ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালিয়ে ফিরে আসেন তাঁরা।
শায়েস্তাগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সালেহ মিয়া দাবি করেন, তিনি বা তাঁর লোকজন পল্লী বিদ্যুতের কাউকে মারধর করেননি। উত্তেজিত জনতা মারধর করেছে।
পবিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল বেলা দেড়টার দিকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সালেহ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান মাসুকের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২২ জন নেতা-কর্মী পবিসের শায়েস্তাগঞ্জ কার্যালয়ে যান। তাঁরা মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. রেজাউল হকের কক্ষে ঢুকে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকায় নতুন সংযোগের কাজ শেষ করতে দেরি হওয়ার কারণ জানতে চান।
এ সময় জিএম তাঁদের জানান, এটি প্রকল্পের কাজ। এই কাজ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এ কথা বলার পর তাঁদের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রায়হানুল ইসলাম, আমজাদুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, মুর্শেদ আলমসহ পাঁচ-ছয়জনকে পেটাতে থাকেন। ২০ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালিয়ে ফিরে আসেন তাঁরা।
শায়েস্তাগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সালেহ মিয়া দাবি করেন, তিনি বা তাঁর লোকজন পল্লী বিদ্যুতের কাউকে মারধর করেননি। উত্তেজিত জনতা মারধর করেছে।
