‘টুনি’র পুন:ময়নাতদন্তে হস্তক্ষেপের আশংকা পরিবারের

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১৪, ০০:১৭

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের টিভি নাটক ‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনি খ্যাত অভিনেত্রী নায়ার সুলতানা লোপার পুন:ময়নাতদন্তে কেউ প্রভাব বিস্তার করতে পারে-এমন আশংকা করছে তার পরিবার। কারো পক্ষে প্রভাবিত না হয়ে সঠিক ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেয়ার দাবি করেছেন লোপার মা রাজিয়া সুলতানা। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।

লোপার মা বলেন, পুলিশের সুরতহাল  ও ময়নাতদন্ত রিপোর্টের মধ্যে অনেক গরমিল রয়েছে। যার কারণে প্রথমবার করা ময়নাতদন্তে প্রকৃত ঘটনা উঠে আসেনি বলে অভিযোগ ওঠে। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লোপার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে পুন:ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাজিয়া সুলতানার দাবি, মাদকাসক্তি ও পরকীয়ার কারণে তার মেয়ে লোপাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে স্বামী আলী আমিন। হত্যার পর লোপার লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ারও চেষ্টা করে। তিনি বলেন, আত্মহত্যা করলে গলার হাড় ভেঙ্গে যেত কিন্তু সেটা ভাঙ্গেনি। ঝুলন্ত অবস্থায় লোপার কোমরে ওড়না বাঁধা ছিল। কেউ নিজে ফাঁস দিলে তার কাপড় কোমরে প্যাঁচানো থাকার কথা নয়। পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে হাত, কনুই ও গলায় আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তার পুরোটাই চেপে যাওয়া হয়েছে।

লোপার মা আরো অভিযোগ করেন, আলী আমিন ও তার পরিবার অর্থ ও প্রভাব খাটিয়ে আগের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাল্টে দিয়েছে। আলী আমিন আদালতকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জামিনেও বেরিয়ে এসেছেন। এখন মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।